বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
সুন্দরবনে বন-বিভাগের অভিযানে ফাঁদে আটকা বন্যপ্রাণী ফিরে গেল বনে উদ্দার ১৪৮ ফাঁদ জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবসে ডেঙ্গু সচেতনতা ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ভুয়া এনআইডি বানিয়ে কোটি টাকার সার বাণিজ্য, নেপথ্যে ফ্যাসিস্ট দোসর ইউসুফ। কাট্টলী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন! চট্টগ্রামে ‘সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ’-এর আয়োজনে ‘পঞ্চার্ণব’ চমেসাস নির্বাচনে শহিদ সভাপতি, আবুল হাসনাত সম্পাদক নির্বাচিত। ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার সাবেক ডিবি প্রধান হারুন বরখাস্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সুন্দরবনে বন-বিভাগের অভিযানে ফাঁদে আটকা বন্যপ্রাণী ফিরে গেল বনে উদ্দার ১৪৮ ফাঁদ

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ২৪ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ

শেখ তাইজুল ইসলাম মোংলা বাগেরহাট প্রতিনিধি: সুন্দরবনের জোংড়া টহল ফাঁড়ির আওতাধীন পশুর নদীর বাউন্ডারি ও কুঞ্চির খাল এলাকায় এক সফল যৌথ অভিযান চালিয়ে ১৪৮টি হরিণ শিকারের ডোয়া বা মালা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে।

গতকাল ০২ নভেম্বর ২০২৬ খ্রি. তারিখ সোমবার জোংড়া ও চাঁদপাই রেঞ্জের বনরক্ষীদের একটি যৌথ টিম পায়ে হেঁটে টহল দেওয়ার সময় এই ফাঁদগুলো উদ্ধার করে।

অভিযান পরিচালনাকারী মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ জানায়, সোমবার নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে জোংড়া ও চাঁদপাই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের একটি বিশেষ যৌথ টিম কুঞ্চির খাল ও পশুর নদীর সীমান্তবর্তী এলাকায় পায়ে হেঁটে তল্লাশি শুরু করে। এ সময় বনের ভেতরে বন্যপ্রাণী শিকারিদের পেতে রাখা ১৪৮টি হরিণ শিকারের বিশেষ দড়ি বা মালা ফাঁদ (ডোয়া) দেখতে পান তারা। বনকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে ফাঁদগুলো জব্দ করে উচ্ছেদ করেন।

অভিযান চলাকালীন একটি পেতে রাখা ফাঁদে বন্যপ্রাণী আটকে থাকার শব্দ পেয়ে এগিয়ে যান বনকর্মীরা। সেখানে ফাঁদে আটকা পড়া অবস্থায় একটি চিত্রল হরিণ এবং একটি বন্য শুকর উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর প্রাণী দুটিকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে পুনরায় সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে অবমুক্ত করা হয়েছে।

জোংড়া বন ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মতিউর রহমান জানান, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী পাচার ও শিকার রোধে বন বিভাগের এই বিশেষ কঠোর নজরদারি এবং পায়ে হেঁটে টহল কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টাও চলছে।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর