রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
কাপ্তাই বিএসপিআইয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ। লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আবদুস সামাদ আজাদ স্পোর্টস ইকোনমিকে অর্থনীতির মূলধারায় নেওয়ার উদ্যোগ: আমির খসরু কাপ্তাই-রাঙামাটি সড়কে সাড়ে তিন ঘণ্টা বন্যহাতির অবস্থান বন বিভাগের তৎপরতায় রক্ষা পেলেন বহু যাত্রী ওসি কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, যাচাই ছাড়া তথ্য প্রচার না করার আহ্বান মনসা পূজা ঘিরে রাইখালী ছাগলের হাটে পাহাড়ি ছাগলের কদর বেশি নওগাঁর ১৯ প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করতে পারেনি কোন পরীক্ষার্থী নওগাঁয় টেপেন্ডাডল টাবলেট সহ একজন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কাপ্তাইয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন  স্বরবৃত্তের আয়োজনে বর্ষা বরণ। কাপ্তাইয়ে এসএসসির ফল বিপর্যয়, দাখিল-কারিগরিতে সন্তোষজনক

নওগাঁর ১৯ প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করতে পারেনি কোন পরীক্ষার্থী

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ১১ বার পঠিত
আপডেট : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ১১টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার মোট ১৯ টি প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করতে পারেনি কোন পরীক্ষার্থী। জেলার শিক্ষা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ তথ্য জানা যায়। শতভাগ ফেইলের মধ্যে রয়েছে মাধ্যমিক, মাদরাসা ও ভকেশনাল এর এমপিওভুক্ত ও নন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান।

জানা যায়, জেলার বদলগাছী উপজেলার ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাশ করেনি। শতভাগ ফেইল করা সেই প্রতিষ্ঠান গুলো হলো গোবরচাপা হাট আকতার হামিদ সিদ্দিকী দাখিল মাদরাসা। এই মাদরাসা থেকে ০১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও সে পাশ করেনি। এ উপজেলার শতভাগ ফেইলের তালিকায় রয়েছে জোলাপাড়া ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন কিন্তু একজনও পরীক্ষার্থী পাস করেনি। এছাড়াও উপজেলার খাদাইল দাখিল মাদরাসা থেকে কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। এ ছাড়াও জেলার পত্নীতলা উপজেলার চকনোদবাটি ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ১৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ করেনি। সাপাহার উপজেলার ভাবুক নইমুদ্দিন দাখিল মাদরাসা থেকে ১৩জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাশ করেনি। জেলার মান্দা উপজেলার চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে কেউ পাশ করেনি। এছাড়াও এই উপজেলার কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন, রামনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন, চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন এবং এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউই পাশ করেনি। জেলার পোরশা উপজেলার বড় গুন্দইল দাখিল মাদরাসা থেকে ১৬ জন, গাঙ্গরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ১৩ জন, অনন্তপুর দাখিল মাদরাসা থেকে ০৯ জন ও কালিনগর সরাইগাছী মহিলা দাখিল মাদরাসা থেকে ০৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিলেও একজন পরীক্ষার্থীও পরীক্ষায় পাস করেননি। নিয়ামতপুর উপজেলার বরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫জন, পৈলানপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০৯ জন, নিমদিঘী কারিগরি স্কুল ও কলেজ থেকে ০৭ জন এবং বরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তাদের কেউই পাস করতে পারেনি। এবং আত্রাই উপজেলা সুদরানা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন এবং আটগ্রাম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ০১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউই পাশ করেননি।

শতভাগ ফেইলের বিষয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বিভিন্ন কারণ দেখান, তাঁরা কেউ কেউ বলেন, শিক্ষক সংকট অবকাঠামোর অভাব এবং অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে না আসা এরমধ্যে মান্দা উপজেলার চকদেবীররাম চকভোলাই আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জালাল উদ্দিন বলেন, আমাদের মাদ্রাসা থেকে এবার ১৫ শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে পরীক্ষার কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার সম্মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা ভীত ও বিহ্বল হয়ে পড়ে। ফলে পরীক্ষা ভালো করতে পারেনি। এবং করোনাকালীন দুর্বলতাও এর পেছনে প্রভাব ফেলেছে।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সাথে দ্রুত বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে সকল প্রচেষ্টা আগামীতে অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর