স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানী উত্তরার দক্ষিন খান থানা আওতাধীন ফায়দাবাদ অঞ্চলের খন্দকার স্কুল সংলগ্ন কোপা মসজিদ রোড, মায়ের আশির্বাদ নামক একটি ভবন এর গেইটে গত ০৫ -০৯-২০২৬ ইং তারিখ রোজ শনিবার দি ক্রাইম পত্রিকার নগর প্রতিনিধি ইজাজুল হক এর উপর হামলার ঘটনা ঘটে।সে ঘটনায় দক্ষিণ খান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
উল্লেখ গত ১৬ -৮ -২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক সন্দ্ধা ৭ টায় ভবনটির ৩ তলায় ঐ সাংবাদিক এর ফ্লাটে বাসা মারিকের দুইছেলে লিমন, ইমরান, ও ভাড়াটে গুন্ডা হজরত এমদাদ ইমরান সহ আরো কয়েকজন ফ্লাটে ঢুকে তার স্ত্রী ফাতেহা ও ঐ প্রতিবেদক কে মারধর করে টেনে হিচরে বাসা থেকে বের করে ফ্লাটে তালা লাগাতে চায়। পরিকল্পিত ভাবে সাংবাদিক পরিবারকে ফ্লাটের বাহিরে এমদাদ নামক জৈনক গুন্ডা মারধর করে ও বাসা মালিক এর ছেলে লিমন, ভাড়াটিয়া গুন্ডা হজরত আলী ফ্লাটে ঢুকে ঐ সাংবাদিক এর স্ত্রীর সোর্নের একটি চেইন ও কানের দুল এবং ১৭৫০০ টাকা লুটপাট করে।
এহেন পরিস্থিতে ঐ সাংবাদিক পরিবার দক্ষিন খান থানায় হাজির হয়ে তার পূর্বের আর একটি অভিযোগ তদন্ত এস আই ওমর ফারুক সাহেব কে জানালে তিনি ডিউটি অফিসার সোহেল সাহেব কে ফোন করে এস আই জাহাঙ্গীর সাহেব কে পাঠায়।
পুলিশ নিয়ে গেলে তিনি ঘটনা স্থল পরিদর্শন না করেই বাসা মালিক এর ফ্লাটে চা -নাস্তা করে বিবাদীর সাথে আতাত করে সাংবাদিক ইজাজুল কে বাসা ছেড়ে দিতে বলে স্থান ত্যাগ করে। এই ঘটনা এস আই ওমর ফারুক সাহেব কে জানালে তিনি বলেন, আমার কাছে যে অভিযোগ দেওয়া আছে তার ব্যাবস্থা নিবো। আপনি আইনি সহযোগিতা পাবেন।
উল্লেখ গত ২৬ জুলাই ভবনটির ছাছে বাড়ি মালিকের ছেলে জাহিদ বহিরাগত কয়েক জন মাদক সেবী নিয়ে মাদক সেবন অবস্থায় দেখে ফেললে ঐ সাংবাদিক কে মারধর করে। পরে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে পুলিশ কেইস ডাইরি করা হয়।
০৫-০৯-২০২৬ ইং তারিখ সে বিষয় তদন্ত করতে এস আই ওমর ফারুক সাহেব আসলে বাদি সাংবাদিক ইজাজুল কে ডাকা হয়। তাৎক্ষনিক হাজির হয়ে সাংবাদিক ইজাজুল তার স্ত্রীকে কিছুটা দুরে নিরাপদে রেখে পুলিশের ডাকে উপস্থিত হলে পরে পুলিশের সামনেই গণমাধ্যম কর্মীকে টেনে হেচড়ে তাদের টর্চার সেলে নিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ কঠর ভাবে তাকে সেভ করে পাঠিয়ে দেয়।
বাসা মালিক এর ভাড়াটিয়া গুন্ডা হজর আলী সে সময় ঐ সাংবাদিক কে মারধর করে নিলা ফোলা ও যখম করে।
যার ফলস্রুতিতে তিনি গত ০৬ -০৯-২০২৬ ইং তারিখ এবিষয় গুন্ডা হজরত আলীর বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। যাজার জিডি ট্রাকিং নং U88PFE জিডি নং ৩৫৬। এ বিষয় দক্ষিণ খান থানায় ভারপ্রাপ্ত অফিসার্স ইনচার্জ বলেন, সাংবাদিক ভাইয়ের উপর এহেন কার্য আমরা মেনে নিতে পারিনা দ্রুত জিডি করে কোর্টে পাঠানো হবে। তার পর আইনি ভাবে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।
ঘটনার সত্যতায় এস আই ওমর ফারুক বলেন
আমরার সামনে সাংবাদিক কে আটকে রাখতে ধস্তাধস্তি ও মারধর করতে লাগলে আমি শক্ত হস্তে তাকে সেভ করি। ওসি স্যারকে জানিয়েছি স্যার আমাকে ব্যাবস্থা নিতে বলেছেন।
তবে ঘটনার সময় হজরত আলী নিজেকে বিএনপি নেতা হেলাল তালুকদার এর লোক বলে সাংবাদিক কে প্রহার করে।