বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে মরহুম আলহাজ্ব শফিকুর রহমান ফাউন্ডেশন। মাটিরাঙ্গায় বন্যায় কর্মহীন ৭০ পরিবার পেল চাল কাপ্তাইয়ে বারি উদ্ভাবিত কফি ও কাজুবাদাম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ​”পরিবর্তন শুরু করতে হবে নিজের ঘর থেকেই, প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা: চসিক মেয়র” সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক “আবু সাঈদ-ওয়াসিমরা সাহস ও দেশপ্রেমের প্রতীক, ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ নেই: চসিক মেয়র” চমেক হাসপাতালে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন হস্তান্তর করলেন চসিক মেয়র চসিক মেয়রের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল প্রাইম মুভার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ইসলামী আন্দোলনের সম্পৃক্ততা কোনো নির্দিষ্ট বয়সে সীমাবদ্ধ নয়: চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত আমীর

গাজীপুরে পরিবহন কর্মকর্তা অপহরণ: দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার।

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ৮৪ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকা থেকে  পরিবহনের সিনিয়র কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। অপহরণকারীরা তাকে আটকে রেখে পরিবারের কাছ থেকে ধাপে ধাপে দেড় লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে যায়।

​পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১শে এপ্রিল গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকা থেকে একদল অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি আমিনুল ইসলামকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।

পরদিন ২২শে এপ্রিল অপহরণকারীরা আমিনুলের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে। অপহৃতের জীবন বাঁচাতে তার পরিবার অপহরণকারীদের দেওয়া বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে ধাপে ধাপে মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে বাধ্য হয়।

​টাকা পাওয়ার পর অপহরণকারীরা আমিনুল ইসলামকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং তার সাথে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয়। ওই দিনই দুপুর ৩ টা ৩০ মিনিটে তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গাজীপুর চৌরাস্তার নির্জন এক স্থানে ফেলে রেখে যায় তারা। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আমিনুল ইসলাম বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতা ও ট্রমার কারণে তিনি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারেননি। তবে গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, “অপহরণকারীরা আমাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় করেছে এবং মোবাইল নিয়ে গেছে। আমি কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর দ্রুতই আইনের সহযোগিতা নেব এবং থানায় মামলা দায়ের করব।”

​এদিকে জনবহুল এলাকা থেকে দিনের আলোতে এভাবে অপহরণের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর