শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার সাবেক ডিবি প্রধান হারুন বরখাস্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা চন্দ্রঘোনায় ডা. এস.এম. চৌধুরীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কাপ্তাইয়ে এইচএসসিতে নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৯৩.৫৩ শতাংশ সিআরএ’র দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সোহাগ আরেফিন সভাপতি, কাদের রাজু-সম্পাদক, রুবেল সাংগঠনিক। কাপ্তাইয়ে ভাল্লুকিয়া নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান কাপ্তাইয়ে কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত সীরাতুন্নবীর শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে: মাওলানা নাজিম উদ্দীন

২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ১৬ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ

শিক্ষাঙ্গন ডেস্কঃ চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০০৪ সালে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর পাসের হার এর চেয়ে কম ছিল। ওই বছর পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ। পরের বছর ২০০৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ১৬ শতাংশে। এরপর গত ২২ বছরে পাসের হার আর এত নিচে নামেনি।

এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২৮১ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭৬ জন।

ব্যানবেইসের কাছে থাকা ১৯৯০ সাল থেকে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এবারই সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।

অন্যদিকে, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার মোট ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৮ হাজার ৭০১ জন। সব বোর্ড মিলিয়ে এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

এদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। ২০১৯ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪৭ হাজার ২৮৬ জন এবং ২০১৮ সালে ২৯ হাজার ২৬২ জন। ফলে গত আট বছরের মধ্যে এবারই জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এদিকে, ফেল করা শিক্ষার্থীদের আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থী যতটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন, তাঁকে শুধু সেই বিষয়গুলোতেই পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর