শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এইচএসসির পাসের হার সাবেক ডিবি প্রধান হারুন বরখাস্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা চন্দ্রঘোনায় ডা. এস.এম. চৌধুরীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কাপ্তাইয়ে এইচএসসিতে নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৯৩.৫৩ শতাংশ সিআরএ’র দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সোহাগ আরেফিন সভাপতি, কাদের রাজু-সম্পাদক, রুবেল সাংগঠনিক। কাপ্তাইয়ে ভাল্লুকিয়া নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান কাপ্তাইয়ে কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত সীরাতুন্নবীর শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে: মাওলানা নাজিম উদ্দীন

সাবেক ডিবি প্রধান হারুন বরখাস্ত

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ২৪ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ

জাতীয় ডেস্কঃ সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ও ডিএমপির আলোচিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য করে তার বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর ধরে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ (বিপি-৭৪০১১১৯৭৫৩) ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা। তিনি ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে কর্মরত থাকাকালে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ অধিদপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। পরে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে ০০৫/২০২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি কিংবা সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় ২২ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৬ আগস্ট দাখিল করা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।

এরপর ২০ আগস্ট তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি জবাব দেননি। পরে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড আরোপের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। কমিশন গত ১ অক্টোবর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত দেয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভাগীয় মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর