চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী এলাকার হালিশহর আই ব্লক ৪ নম্বর লেইনের পেশকার বাড়ি এলাকায় সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সোমবার (২ জুন) সকাল ৯টায় তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্ভোগের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫টি কাঁচাপাকা বসতঘর পুড়ে যায়। আগুনে বহু পরিবারের সহায়-সম্বল ভস্মীভূত হওয়ায় তারা মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
পরিদর্শনকালে নাজিমুর রহমান আই ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য তাৎক্ষণিকভাবে খাবার ও বস্ত্র সহায়তার ব্যবস্থা করেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এ সময় নাজিমুর রহমান বলেন, “দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কষ্ট লাঘবে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো। তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং মানবিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক শহীদ মোহাম্মদ চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মো. জাকির হোসেন, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিমউদ্দিন জিয়া, ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব মো. আলমগীর, হালিশহর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ শাহীন, আই ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি রেহানউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লিটন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি হায়দার আলী খান এবং হালিশহর থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব হাবিবুল্লাহ খান রাজু।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সহযোগিতার উদ্যোগ গ্রহণ করায় নাজিমুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের প্রত্যাশা, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সক্ষম হবে।