বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। মনপুরায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক নারী মাদককারবারি আটক সাগর-রুনি হত্যার বিচার ও সাংবাদিক শাহীনুর রহমান কে হুমকির প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন মনপুরার মেঘনার ১৫ কেজি ওজনের পাঙ্গাসের দাম ২০ হাজার টাকা আকবরশাহ্ থানায় হারানো ১০ মোবাইল ফোন উদ্ধার, প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে সাফওয়ানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে মানববন্ধন চট্টগ্রাম জেলা ডি বি পুলিশের তৎপরতায় রাউজানের বহুল আলোচিত করিম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন সেনবাগে ‘সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গোল্ড মেডেল ‘মেধা উৎসব অনুষ্ঠিত। দক্ষিণ খানে বেপরোয়া সন্ত্রাসী জহির এর হামলায় থানায় লিগেল ডাইরি

ইট দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত, ছেলে-পুত্রবধূর বিরুদ্ধে মামলা

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ১০২ বার পঠিত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম: তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছেলে ও পুত্রবধূর মারধরে গুরুতর আহত হয়েছেন বৃদ্ধা জাহানারা বেগম (৬৯)। মাথা ও কপালে ইটের আঘাতে ১৭টি সেলাই পড়েছে তাঁর। এ ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবুল মনছুরের আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে তার ছেলে মো. ফারুক (৪২) ও পুত্রবধূ সুমাইরা আক্তার সুমিকে (৩০)।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিনুল আহসান বাংলানিউজকে বলেন, ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধের মামলার আবেদন করা হলে জাহানারা বেগমের জবানবন্দি গ্রহণ করে। আদালত আবেদনটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করতে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৭ ডিসেম্বর কর্ণফুলী থানার চরলক্ষ্যা এলাকায় পারিবারিক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে জাহানারা বেগমকে মারধর করেন তার ছেলে ও ছেলের স্ত্রী। একপর্যায়ে ছেলে ফারুক ইট দিয়ে মায়ের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকেরা মাথা ও কপালে মোট ১৭টি সেলাই দেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ইটের আঘাতেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। বৃদ্ধাকে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টাও করে। প্রতিবেশীরা উপস্থিত না হলে সেদিন প্রাণে বাঁচতেন না জাহানারা বেগম। পরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি বুধবার কর্ণফুলী থানায় মামলা করতে গেলেও থানা মামলা গ্রহণ করেনি। এরপর তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে কল রিসিভ করেনি।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর