বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারে চেয়ারম্যান প্রার্থী রোজিনা বেগম। নিয়ামতপুরে ৫৫০ লিটার চোলাইমদসহ গ্রেপ্তার ৩ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। মনপুরায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক নারী মাদককারবারি আটক সাগর-রুনি হত্যার বিচার ও সাংবাদিক শাহীনুর রহমান কে হুমকির প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন মনপুরার মেঘনার ১৫ কেজি ওজনের পাঙ্গাসের দাম ২০ হাজার টাকা আকবরশাহ্ থানায় হারানো ১০ মোবাইল ফোন উদ্ধার, প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে সাফওয়ানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে মানববন্ধন চট্টগ্রাম জেলা ডি বি পুলিশের তৎপরতায় রাউজানের বহুল আলোচিত করিম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

মাটিরাঙ্গায় আইডিএফ এর উদ্যেগে প্রাণিখাতে আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু, খামার ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ১০১ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ

ছোটন চৌধুরী, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় প্রাণিখাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পিকেএসএফ-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং আইডিএফ-এর বাস্তবায়নে ‘স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট (এগ্রিকালচার)’ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন খামারে আইওটি (IoT) ডিভাইস স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলার ভূঁইয়া পাড়া ও পশ্চিম মুসলিম পাড়াসহ আইডিএফ-এর বিভিন্ন কর্ম এলাকায় এই কার্যক্রম চালু করা হয়। প্রকল্পের আওতায় তিনজন নারী উদ্যোক্তার মাঝে ৩টি আইওটি ডিভাইস বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আনোয়ারা বেগমের পোল্ট্রি খামার, ইয়াসমিন আক্তারের ডেইরি খামার এবং সুলতানা আক্তারের লেয়ার মুরগির খামারে আধুনিক প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করা হয়।

আইডিএফ-এর প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ডেইরি, লেয়ার ও ব্রয়লার খামারে আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। ফলে খামারিরা এখন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই খামারের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন। পাশাপাশি মোটর পাম্প, ফ্যান ও লাইট দূর থেকেই পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

এই প্রযুক্তির ব্যবহারে খামার পরিচালনায় সময় ও অর্থের অপচয় কমছে এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ ও আধুনিক হচ্ছে। খামারে সরাসরি উপস্থিত না থেকেও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হওয়ায় খামারিরা উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাচ্ছেন। একই সঙ্গে গবাদিপশু ও পোল্ট্রির সঠিক পরিচর্যাও নিশ্চিত করা যাচ্ছে।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য অঞ্চলে প্রাণিখাতকে আধুনিক ও স্মার্ট করে গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর এ কার্যক্রম খামারিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর