বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে মরহুম আলহাজ্ব শফিকুর রহমান ফাউন্ডেশন। মাটিরাঙ্গায় বন্যায় কর্মহীন ৭০ পরিবার পেল চাল কাপ্তাইয়ে বারি উদ্ভাবিত কফি ও কাজুবাদাম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ​”পরিবর্তন শুরু করতে হবে নিজের ঘর থেকেই, প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা: চসিক মেয়র” সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক “আবু সাঈদ-ওয়াসিমরা সাহস ও দেশপ্রেমের প্রতীক, ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ নেই: চসিক মেয়র” চমেক হাসপাতালে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন হস্তান্তর করলেন চসিক মেয়র চসিক মেয়রের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল প্রাইম মুভার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ইসলামী আন্দোলনের সম্পৃক্ততা কোনো নির্দিষ্ট বয়সে সীমাবদ্ধ নয়: চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত আমীর

রাঙামাটিতে ভূষণছড়া গণহত্যার বিচার দাবি পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ৩২ বার পঠিত
আপডেট : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় ১৯৮৪ সালে সঙ্ঘটিত ভয়াবহ ভূষণছড়া গণহত্যার বিচার দাবি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।

রবিবার (৩১ মে) আছরের নামাজের পর রাঙ্গামাটি শহরের কাঠালতলী জামে মসজিদে আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে এ দাবি করা হয়।

শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা সভাপতি মো: তাজুল ইসলাম তাজ,
শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলী শিকদার, ওলামা দলের রাঙামাটি জেলা সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম, পিসিসিপি’র সহ সভাপতি মো বখতিয়ার উদ্দিন, সহ- সাধারণ সম্পাদক আরিয়ান রিয়াজ প্রমুখ।

এ সময়ে বক্তারা বলেন, ‘১৯৮৪ সালের ৩১ মে পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনা ঘটে রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকা বরকলের ভূষণছড়ায়। ওই দিন ভোর ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলা বর্বর হামলায় জেএসএসের তৎকালীন সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনীর হাতে প্রাণ হারায় চার শতাধিক বাঙালি। হত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় শতাধিক পরিবার, পালিয়ে যায় ১৬ শ’র বেশি বাঙালি পরিবার।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘এত বড় হত্যাকাণ্ডের পর তিন দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো মামলা হয়নি, হয়নি কোনো বিচার। দেয়া হয়নি ক্ষতিপূরণ।’তারা বলেন, ‘পাহাড়ে উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এখনো বেপরোয়া, প্রতিনিয়ত ঘটাচ্ছে খুন, গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজির ঘটনা।

বক্তারা পাহাড়ে পুনরায় সেনা ক্যাম্প স্থাপন, যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।’

শোকসভা শেষে নিহতদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর