বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারে চেয়ারম্যান প্রার্থী রোজিনা বেগম। নিয়ামতপুরে ৫৫০ লিটার চোলাইমদসহ গ্রেপ্তার ৩ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। মনপুরায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক নারী মাদককারবারি আটক সাগর-রুনি হত্যার বিচার ও সাংবাদিক শাহীনুর রহমান কে হুমকির প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন মনপুরার মেঘনার ১৫ কেজি ওজনের পাঙ্গাসের দাম ২০ হাজার টাকা আকবরশাহ্ থানায় হারানো ১০ মোবাইল ফোন উদ্ধার, প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে সাফওয়ানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে মানববন্ধন চট্টগ্রাম জেলা ডি বি পুলিশের তৎপরতায় রাউজানের বহুল আলোচিত করিম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, সংস্কার ও নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে চট্টগ্রামে বিভাগীয় সংলাপ

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক : / ১৭২ বার পঠিত
আপডেট : বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে কার্যকর রাষ্ট্র সংস্কার ও জনস্বার্থভিত্তিক নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন জরুরি—এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন বক্তারা। গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, রাষ্ট্র সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে আয়োজিত এক বিভাগীয় সংলাপে এসব কথা বলা হয়।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ সংলাপে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন।

সংলাপে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান জনগণের মধ্যে একটি নতুন প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে। এই প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মৌলিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের প্রধান হাতিয়ার। তাই ভবিষ্যৎ নির্বাচনী ইশতেহারে নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, আইনের শাসন এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত অঙ্গীকার থাকতে হবে।

সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা মতামত তুলে ধরে বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় নাগরিক সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এ ধরনের সংলাপ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনায় জনমত প্রতিফলনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা জানান, জনগণের মতামত সংগ্রহ, গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার এবং রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সুজনের এ ধরনের বিভাগীয় সংলাপ ও নাগরিক উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর