1. admin@digonterbarta24.com : admin :
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাবেক চেয়ারম্যান কামালউদ্দীনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ অপর্যাপ্ত চিকিৎসক , উদাসীনতা এবং নানা সমস্যায় জর্জরিত হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করলেন সেনবাগ পৌর মেয়র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত দেওয়ানগঞ্জে পৌর সভার উদ্যোগে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ রাত জেগে বজ্য অপসারণ করালেন সেনবাগ পৌর মেয়র ভিপি দুলাল স্বপ্নের আলো ফাউন্ডেশন (এসএএফ)’র শীতবস্ত্র বিতরণ ঝালকাঠিতে মাদক মামলায় ১জনের ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড নিজাম উদ্দিন পুনরায় সিপিআই নির্বাচিত এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি ২০০৪ বাংলাদেশ গ্রুপের শীতবস্ত্র বিতরণ-ওয়ার্ম লাভ

নির্বাচনে হেরে মসজিদ ভেঙে নিয়ে গেলেন ইউপি চেয়ারম্যান

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৪৯ বার পঠিত

আলমগীর হোসেন সখীপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইলের সখীপুরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে হেরে ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের ওয়াকফ করা জমিতে টিনের তৈরি একটি মসজিদ ভেঙে নিয়ে গেছেন বহুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া সেলিম।

গত ১১ নভেম্বর ওই ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া (নৌকা প্রতীক)। নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নুরে আলমের কাছে পরাজিত হন। নতুন চেয়ারম্যান এখনো শপথ গ্রহণ করেননি।

গোলাম কিবরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুতুব উদ্দিনের ছেলে। নির্বাচনে হেরে তাঁর মসজিদ ভেঙে নেওয়ার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে উপজেলার বহুরিয়া ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে গোলাম কিবরিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের দিকে ওই ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের জমিতে পারিবারিক অর্থায়নে টিন দিয়ে একটি মসজিদ তৈরি করেন চেয়ারম্যান। ১১ নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী নুরে আলমের কাছে হেরে যান। হেরে যাওয়ার ক্ষোভে গত মঙ্গলবার তিনি টিনের তৈরি মসজিদ ভেঙে ট্রাকে করে নিয়ে যান বলে জানান গ্রামবাসী।

মসজিদের পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা সরোয়ার আলম বলেন, ‘মসজিদটি ভেঙে নেওয়ার ঘটনায় ইউনিয়নবাসীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি কাজটি ভালো করেননি। ওই স্থানে আমরা গ্রামবাসী মিলে একটি পাকা মসজিদ স্থাপন করব।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আমার খালাতো ভাই ইব্রাহিম হোসেনের ব্যক্তিগত টাকায় ওই মসজিদ টিন দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। কয়েক মাস ধরে ওই স্থানে কেউ নামাজ আদায় করছেন না। খালাতো ভাইয়ের অনুমতি নিয়েই মসজিদটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান নুরে আলম বলেন, ‘আমি এখনো শপথ নিইনি। ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের ওয়াকফ করা জমিতে যেহেতু মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল, অতএব ওই মসজিদ ভেঙে নেওয়ার অধিকার ওই চেয়ারম্যানের নেই। আমরা ওই স্থানে একটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করব।’

উপজেলা ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ জানান, মসজিদ তিনি ভাঙতে পারেন না। কাজটি তিনি ভালো করেননি। এ ধরনের কাজ ইসলাম সমর্থন করে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD