1. admin@digonterbarta24.com : admin :
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

বেতছড়িমুখ ধর্মোদয় বন বিহারে ৩য় বারের মত কঠিন চীবর দান উদযাপন

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ১১৩ বার পঠিত

তুফান চাকমা, নানিয়ারচর প্রতিনিধিঃ- রাঙামাটির নানিয়ারচরে ধর্মীয় নানা পুণ্যানুষ্ঠান, মহাস্থবির বরণ ও উৎসবমূখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ৩য় বারের মত শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে
উপজেলার বেতছড়িমূখ ধর্মোদয় বন বিহারে ২দিনব্যাপি এই শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দানের অনুষ্ঠানে বুদ্ধ মূর্তী দান, সঙ্ঘ দান, অষ্টপরিষ্কার দান,কঠিন চীবর দান, কল্পতুরু দান, পিন্ড দান, হাজার বাতি ও আকাশ প্রদীপ উৎসর্গ সহ নানাবিধ দানের কার্য সম্পাদন করা হয়।

অনুষ্ঠান মঞ্চে সঙ্ঘ প্রধান হিসেবে উপবিষ্ট ছিলেন, রাজগিরি বন বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ সুমনালঙ্কার মহাস্থবির। এছাড়াও বেতছড়ি মুখ ধর্মোদয় বন বিহারের অধ্যক্ষ ধর্মতিলোক মহাসস্থবির, জ্ঞানোদয় বন বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ বুদ্ধসার স্থবির, রত্নাংকুর বন বিহারের শ্রীমৎ মৈত্রী জ্যোতি ভিক্ষুসহ বিভিন্ন বিহার থেকে আমন্ত্রিত ভিক্ষুসঙ্ঘরা উপস্থিত ছিলেন।

রনেল চাকমা ও কোকোলা চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়্যারম্যান প্রীতিময় চাকমা।

অন্যান্যের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রিয় বিকাশ চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক বৃষকেতু চাকমা, ইউপি সদস্য রত্ন দ্বীপ চাকমা, কার্বারী মনি চাকমা ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দায়ক-দায়িকাবৃন্দ।

বিকাল পর্বে আদর্শী চাকমার কণ্ঠে উদ্ভোদনী সংগীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে ত্রিশরণ সহ পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন মংখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমতি লাল চাকমা।

এসময় মঞ্চে উপবিষ্ট ধর্মোদয় বন বিহারের অধ্যক্ষ ধর্মতিলোক মহাসস্থবির ও রাজগিরি বন বিহারে অধ্যক্ষ শ্রীমৎ সুমনালঙ্কার মহাস্থবির কে ২০বর্ষা পূর্ণ হওয়ায় ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

ভগবান বুদ্ধের অমৃতবাণী স্বধর্ম দেশনা প্রদান কালে বিহার অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ধর্ম তিলক মহাস্থবির বলেন, দানোত্তম দান কঠিন চীবর দান বছরে শুধু একবার করা হয়ে থাকে৷ ভিক্ষুরা ত্রিমাসিক বর্ষাবাস (উপোসথ) যাপন করার পরে এই কঠিন চীবর দানের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে মাসব্যাপী বিভিন্ন বিহারে চলতে থাকে। যে বিহারে ভিক্ষু ৩মাস বর্ষাবাস যাপন করে সেই বিহারে কঠিন চীবর দানের আয়োজন করা সম্ভব হয়। কঠীন চীবর দানের ফল অন্যান্য সকল দানের ফল থেকে উর্ধ্বে। বুদ্ধের মতে আজকে আমরা যে দান করবো এই দানের ফলটা শতবর্ষে আমরা অন্যান্য কোনো দান করলে যে ফলটা হবে, সেটা এটার ষোল ভাগের একভাগও হবে না। তাই কঠিন চীবর দান করার সময় অবশ্যই শ্রদ্ধাচিত্তে দান করে পূণ্যভাগী হতে হবে।

দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে দূর দূরান্ত থেকে হাজারো পূর্ণ্যার্থীর সমাগমে বিহার প্রাঙ্গণ আনন্দ মুখর হয়ে উঠে। সন্ধ্যার সময় আকাশ প্রদীপ উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD