1. admin@digonterbarta24.com : admin :
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাবেক চেয়ারম্যান কামালউদ্দীনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ অপর্যাপ্ত চিকিৎসক , উদাসীনতা এবং নানা সমস্যায় জর্জরিত হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করলেন সেনবাগ পৌর মেয়র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত দেওয়ানগঞ্জে পৌর সভার উদ্যোগে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ রাত জেগে বজ্য অপসারণ করালেন সেনবাগ পৌর মেয়র ভিপি দুলাল স্বপ্নের আলো ফাউন্ডেশন (এসএএফ)’র শীতবস্ত্র বিতরণ ঝালকাঠিতে মাদক মামলায় ১জনের ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড নিজাম উদ্দিন পুনরায় সিপিআই নির্বাচিত এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি ২০০৪ বাংলাদেশ গ্রুপের শীতবস্ত্র বিতরণ-ওয়ার্ম লাভ

বরিশালে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মৌসুমি জেলেদের ইলিশ নিধনের প্রস্তুতি

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৬ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ আজ ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে এ সময়ের মধ্যে ইলিশ ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময়, সংরক্ষন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এই আইন অমান্য কারিকে কমপক্ষে ১বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিতহবে।

মৎস গভেষনা ইন্সটিটিউট বলছে ২০২০ সালে ৭ লক্ষ ৪০ হাজার কেজি ডিম ছেরেছে। ১টি মাছ একবারে ৩/৪ লক্ষ ডিম দেয়। ইলিশ ধরার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মৌসুমি বরিশালের কীর্তনখোন, আড়িয়াল খাঁ, কালা বদর নদীতে ইলিশ ধরার প্রস্ততি নিচ্ছে। পেশাজীবী জেলেরাও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। এই সময় মুলত পেশাজীবি জেলেদের সারঞ্জাম ও মাছ শিকারের কৌশলের সাথে অপেশাদার বা মৌসুমি জেলেদের পেশী শক্তি এক হয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ ধরার লক্ষ্যে বরিশাল সদর উপজেলার শতাধিক মৌসুমি জেলে স্থানীয় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইলিশ ধরার প্রস্ততি নিয়েছে। এরা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, ইঞ্জিন চালিত দ্রুতগামী নৌকা ও অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহ করছে। মাছ শিকারের সুবিধার্থে নৌকায় ডাবল ইঞ্জিন বসানো হচ্ছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, সুকৌশলে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রেতা দোকানের বাইরে দামদর ঠিক করে দোকানের বাইরেই ক্রেতার হাতে জাল তুলে দিচ্ছেন। নিষিদ্ধ জাল বিক্রির জন্য উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে অসংখ্য দালাল। মাছ সংরক্ষণ করার জন্য কর্কশিটের তৈরি বাক্স (বরফ দিয়ে মাছ রাখার বাক্স) দেদারছে বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী মৎস্য ব্যবসায়িদের মদদে বিভিন্ন পেশার মানুষ অধিক অর্থ লাভের আশায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

দপদপিয়া খেয়াঘাট,ধনগবেঘনা, ত্রিশ গোডাউন, চরকাউয়া (হিরন নগর) মুক্তি যোদ্ধা পার্ক বরফকল, রসুলপুর, জনতার হাট, চরকাউয়া ইউনিয়ন, পলাশ পুর, বেলতলা খেয়াঘাট, গীলাতলি, চরবাড়িয়া, চরমোনাই,কাদা বদর, আড়িয়াল খাঁ,জুনাহার,শ্রীপুর, লাহারহাট ঘাট, এলাকায় এক শ্রেণির অসৎ মৎসজীবি ও মৌসুমী মৎস্য শিকারীরা ইলিশ মাছ ধরার জন্য আগে থেকেই তৎপর হয়ে উঠেছে বলে ওইসব এলাকার বসবাসকারীরা জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মৌসুমী জেলে জানান, সারা বছর সে অন্য পেশায় কাজ করলেও এ সময় নদীতে বড় আকারের বেশি মাছ ধরা পড়ায় নদীতে নেমে পড়ি। তবে প্রশাসনের হাত থেকে রক্ষা পেতে সোর্স ম্যানেজ করে চলি। প্রশাসন কখন অভিযানে নামবে সোর্সদের কাছ থেকে তা মোবাইলে জানতে পারি। বিনিময়ে তাদের দেওয়া ঠিকানায় পৌছে যায় ইলিশ।

মৎস্য কর্মকর্তা বিমল দাস জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। ইতিমধ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী নেতা ও জেলেদেরকে নিয়ে একাধিক সভা করা হয়েছে। নিষিদ্ধ সময় ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকার জন্য জেলে পাড়াগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নিষিদ্ধ সময় কেউ ইলিশ শিকারে নদীতে গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD