1. admin@digonterbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিরসরাইয়ে শিল্প নগর পরিদর্শনে সৌদি আরবের মন্ত্রীর সেনবাগে জিতেনি নৌকার কোন প্রার্থী চট্টগ্রামের সংবাদপত্র-শিল্পসাহিত্য ও সংস্কৃতির মহীরুহ বটবৃক্ষ এম এ মালেকঃ শুকলাল দাশ স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়নে ভূমি মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামে জেনারেল হাসপাতালে নন কোভিড ইউনিটে আইসিইউ বেড উদ্বোধন দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ ২ (দুই) কেজি গাঁজা উদ্ধার কেশবপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি ২২ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ঝালকাঠিতে ১০০ টাকায় ১৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরী আন্তঃবাহিনী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২১ শুরু বিএমপি কমিশনারের সাথে টেলিভিশন চিত্র সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

৭৫ বছরে ১৯ বার হামলার শিকার হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৬ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্কঃ ৭৫ বছরে ১৯ বার হামলার শিকার হন শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর)। ১৯৪৭ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বেড়ে ওঠেন রাজনৈতিক সংস্পর্শে। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হওয়ায় রাজনীতির বাইরে যেতে পারেননি শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের পরে ছয় বছর প্রবাস জীবন কাটে বঙ্গবন্ধুকন্যার।

বাবার হাতে গড়া আওয়ামী লীগের রাজনীতি দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ে। দলকে ঐক্যবদ্ধ করার দায়িত্ব শেখ হাসিনার কাঁধে এসে পড়ে ১৯৮১ সালে। সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফেরেন ওই বছরের ১৭ মে। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ শুরু করেন। অমসৃণ ও কণ্টকাকীর্ণ ওই পথ পাড়ি দিতে ৭৫ বছর বয়সী শেখ হাসিনাকে ১৯ বার মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়তে হয়। ১৯ দফায় সন্ত্রাসী হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

১৯৮৮ সাল থেকে হামলার মুখোমুখি হন। সর্বশেষ শেখ হাসিনার প্রাণনাশের জন্য সন্ত্রাসী হামলা হয় ২০১৫ সালে। মৃত্যুকে ভয় পেয়ে থেমে থাকেননি শেখ হাসিনা। বরং সাহসিকতার সঙ্গে বলেন, আমি মৃত্যু ভয় করি না। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও এদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব। রাজনীতি করতে এসে এতবার হামলার শিকার হওয়া রাজনৈতিক নেতা খুব কমই আছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন , ৭৫তম জন্মদিনে শেখ হাসিনাকে অভিবাদন জানাই। ১৯৮১ সালে যেদিন শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেন, সেদিন নির্বাসন থেকে বাংলাদেশ অস্তিত্বে ফিরলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৮১ সালে ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছিলাম। কারণ ’৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশ ছিনতাই হয়ে গিয়েছিল। আমরা শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করছি এ জন্যই যে, তার কাছে আমাদের অশেষ দায় ও ঋণ।

তিনি শেখ হাসিনার গুণাবলী সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, উনার শক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সম্মোহনী শক্তি, তিনি সাহসী। রাজনীতি করতে গিয়ে যতবার হামলার শিকার হয়েছেন তা খুব কম নেতাই আছেন।

কখন কোথায় হামলা হয়

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি: চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে মিছিল সহকারে যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর প্রথম হামলা হয়। ওই হামলায় ৭ জন নিহত ও তিন শতাধিক আহত হন।

১৯৮৯ সালের ১১ আগস্ট: রাত ১২টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। শেখ হাসিনা তখন ওই ভবনেই ছিলেন। সন্ত্রাসীরা ভবন লক্ষ করে গুলি চালায় ও একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। তবে গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত না হওয়ায় বেঁচে যান তিনি।

১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর: জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন চলাকালে রাজধানীর গ্রিন রোডে তাকে লক্ষ করে গুলি ও বোমাবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীদের গুলি তার গাড়িতে লাগলেও বেঁচে যান শেখ হাসিনা।

১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর: ট্রেন মার্চ করার সময় পাবনার ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনের বগি লক্ষ করে বৃষ্টির মতো গুলি ছোড়া হয়। সে সময় অসংখ্য গুলি তার বগিতে বিদ্ধ হলেও তিনি অক্ষত থাকেন।

১৯৯৫ এর ৭ ডিসেম্বর: ওই দিন শেখ রাসেল স্কয়ারে সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় শেখ হাসিনার ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়।

১৯৯৬ এর ৭ মার্চ: সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা ৭ই মার্চের ভাষণের স্মরণে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ একটি মাইক্রো বাস থেকে শেখ হাসিনাকে লক্ষ করে গুলি ও বোমা নিক্ষেপ চলতে থাকে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়।

১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলেমেয়েসহ ৩১ জনকে হত্যার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করে ই-মেইল চালাচালির খবর আসে। এতে জানানো হয়, ওই ই-মেইলটি পাঠিয়েছিলেন ইন্টার এশিয়া টিভির মালিক শোয়েব চৌধুরী।

২০০০ সালের ২০ জুলাই: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ (হুজি) গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলের অদূরে ও হ্যালিপ্যাডের কাছে পুঁতে রাখা হয় ৮৪ কেজি ও ৭৬ কেজি ওজনের দুটি বোমা । কিন্তু সৌভাগ্যবশত আগেই ওই বোমাগুলোর হদিস পেয়ে যান গোয়েন্দারা। শক্তিশালী বোমা দুটি বিস্ফোরিত হলে কেবল শেখ হাসিনাই নন, নিহত হতেন বহু মানুষ ।

২০০১ সালের ২৯ মে: খুলনার রূপসা সেতুর কাজ উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। বিষয়টি আগে থেকে জানতে পেরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠানস্থলে বোমা পুঁতে রাখে জঙ্গি সংগঠন হুজির সদস্যরা। কিন্তু গোয়েন্দা পুলিশের তৎপরতায় আগেই বোমাটি উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করা হয়।

২০০১ সালে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটে যান শেখ হাসিনা। সেখানে আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে জনসভায় বক্তৃতা করার কথা ছিল তার। সে সময়ও জনসভাস্থলে বোমা পুঁতে রেখে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল হুজি। কিন্তু জনসভার একদিন আগে মাত্র ৫০০ গজ দূরের একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে হুজির দুই সদস্য নিহত হলে সে পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে যায়।

২০০২ এর ৪ মার্চ: যুবদল ক্যাডার খালিদ বিন হেদায়েত নওগাঁয় বিএমসি সরকারি মহিলা কলেজের সামনে তৎকালীন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা চালায়।

২০০২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর: শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়। বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা সাতক্ষীরার কলারোয়ার রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে শেখ হাসিনার ওপর ওই হামলা চালায়।

২০০৪ সালের ২ এপ্রিল: বরিশালের গৌরনদীতে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে গুলিবর্ষণ করে জামায়াত-বিএনপির ঘাতক চক্র।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এই হামলায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুরর রহমানের সহধর্মিণী ও আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমান এবং আরও ২৩ জন নেতাকর্মী নিহত হন। এ ছাড়াও এই হামলায় আরও ৪ শ’ জন আহত হন।

২০০৭ সালে সাবজেলে বন্দি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার খাবারে দেওয়া হয়েছিল স্লো পয়জন। উদ্দেশ্য ছিল, ক্রমাগত বিষ দিয়ে তাকে হত্যা করা। স্লো পয়জনিংয়ের কারণে একসময় শেখ হাসিনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের ১১ জুন ১১ মাস কারাভোগের পর তিনি প্যারোলে মুক্তি পান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD