1. admin@digonterbarta24.com : admin :
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘আশরাফি তাবাসসুম ঐশী’র উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প! বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন নির্বাচনে যারা বিজয়ী কক্সবাজারে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’র সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ পটুয়াখালীতে নৌকার মনোনয়ন পেলো রাজাকার পুত্র ও সাবেক বিএনপি নেতা গোলসাছড়ি জনবল বৌদ্ধ বিহারে ১ম বারের মত দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত বড়লেখায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৩টি প্রতিষ্টানকে জরিমানা কমলগঞ্জের সড়ক পাকা কনণের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্দন হাজরাবাড়ি পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা মনু মিয়া’র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

প্রতারক মাহবুব তিন লক্ষ টাকা দিলে হয়ে যায় ত্রিশ লক্ষ টাকা

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬২ বার পঠিত

ফয়সাল উদ্দিন রনিঃ নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ব্যবসায়ী শেখ মাে. জসিম উদ্দিন মনছুরী তাঁর মেয়ের বিয়ের জন্য সেভেন স্টার গ্রুপ নামে ক্লাব থেকে ছড়া সুদে ৩ লাখ টাকা ঋণ নেন। ওই ক্লাবের হর্তাকর্তা ছিলেন সরাইপাড়ার লাকী হােটেল গলির আব্বাস আলীর সন্তান মাহবুব আলী। ৭ মাসে তিনি সুদ হিসেবে ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা নেন।

২০১৯ সালের ১৫ আগষ্ট জসিম উদ্দিনের কাছে
৩০ লাখ টাকা পাবেন বলে উকিল নােটিশ আসে
আদালত থেকে। তিনি পরে আদালতে গিয়ে
জানতে পারেন দুটি চেকে মাহবুব আলীর নামে
২০ লক্ষ ও ৩০ লক্ষ টাকা জামানত হিসেবে
দিয়েছেন। এতে হতভম্ব হয়ে যায় জসিম উদ্দিন।

জসিম উদ্দিন মনছুরী বলেন, ঋণ নিয়েছি ৩ লাখ
টাকা। হয়ে গেল ৩০ লাখ টাকা। চেক প্রতারণার
মাধ্যমে মাহবুব আলী আমি নয়, অন্তত ২০ জনের
কাছ থেকে এমন প্রতারণা করেছেন।

শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরের মােমিন রােড়স্থ একটি
রেস্তুরায় এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মাে. জসিম
উদ্দিন মনছুরী এমন অভিযােগ করেন। এসময়
মাহবুবের প্রতারণার শিকার অন্তত ২০জন সংবাদ
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভােগি
আসাদুল ইসলাম বলেন- মাে. মাহবুব আলী
হাজী আশ্রাফ আলী রােডে সরকারী অনুমােদন
বিহীন সেভেন স্টার ক্লাব ও সেভেন স্টার গ্রুপ
নামীয় সাইনবাের্ড টাঙিয়ে ঋণ প্রদান কার্যক্রম ও
রাতে জুয়া (কেসিনাে) ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
সেভেন স্টার গ্রুপ সমিতির অসহায় বিপদগ্রস্ত
লােকদেরকে স্বল্প সংখ্যক ঋণ দিয়ে তার
বিপরীতে গ্রাহকের স্বাক্ষরিত জামানত স্বরূপ।
একাধিক অলিখিত চেক ও খালি স্ট্যাম্প জমা
নিয়ে সুদসহ সমুদয় টাকা আদায় করে আসছে।
পরবর্তীতে ঋণগ্রস্ত অসহায় গ্রাহকদেরকে মাস্তান
লেলিয়ে দিয়ে বাড়িঘর জবর দখল করে।

নিরীহ গ্রাহকদের স্বাক্ষরিত চেক ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে আদালতের প্রতারক চক্রের সহযােগিতায়
মােটা অংকের টাকা লিখে মিথ্যা মামলা দায়ের
করে গ্রাহকদের আইনের প্যাঁচে ফেলে আপােষের
প্রস্তাব দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করে। যেই
সব অসহায় লােকেরা প্রতারক চক্রের দাবিকৃত
টাকা দিতে পারে না তাদেরকে সাজা ও জরিমানা
করাইয়া এলাকা ছাড়া করে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তাদের সিন্ডিকেট
এতই শক্তিশালী যে, তাহারা সামাজিক ও ওয়ার্ড
কমিশনারের বিচার সালিশও মানে না। উক্ত
প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিলে
প্রতারক চক্রের হােতা মাহবুব আলী আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সহযােগিতায় মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলের
মাধ্যমে অসহায় বাদীর মামলা খারিজ করাইয়া
দেয়। এমনকি তারা স্থানীয় দুর্নীতিবাজ প্রশাসন,
নেতা, মাস্তান ও আদালতের প্রতারক শ্রেণির
যৌথ প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে সিন্ডিকেট গঠন করে।
মিথ্যা চেকের মামলা দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের
ত্রিশ হাজার টাকা ঋণ দিয়ে ত্রিশ লক্ষ টাকা।

আদায়, জমি ও দোকান দখল করে। তাদের
দাবীকৃত টাকা না দিলে ফেরারী ও সর্বস্বান্ত করে।
সংবাদ সম্মেলন ভুক্তভােগিরা বলেন, মামলাবাজ
মাহাবুব আলী তার সেভেন স্টার গ্রুপ নামীয়
প্রতিষ্ঠানের ঋণ গ্রহীতাদের বিপরীতে মূল টাকা
আদায়ের পর বিগত ২০১৬ইং হইতে ২০২১ইং
সাল পর্যন্ত ক্ষুদ্র অসহায় ঋণ গ্রহকদের জিম্মা
নেওয়া চেক সমূহে ইচ্ছা মতাে টাকার সংখ্যা
লিখে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে ও সময়ে নিরীহ গ্রহকদের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি,জমি, বাড়ি-ঘর কুক্ষিগত করে আসছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযােগ করা হয়, স্থানীয়
সিরাজুল ইসলাম সেভেন স্টার ক্লাব থেকে ঋণ
নিয়েছেন ৩ লাখ , তবে তার চেকে পরে লেখা
হয়েছে ৩০ লাখ, সালাউদ্দিন খােকন ঋণ
নিয়েছেন ২ লাখ, তার বিরুদ্ধে চেক ডিসঅনার
মামলা করা হয়েছে ৩০ লাখের।

একইভাবে সাদেক আলী টুটুল ঋণ নিয়েছেন ২ লাখ, অথচ তার বিরুদ্ধে চেক ডিসঅনার মামলা হয়েছে ৩০ লাখ টাকার। স্থানীয় সালাউদ্দিন খােকনের দোকান চুরির সময় চেক বইও চুরি হয়। ওই চেকের বিষয়ে থানায় তিনি একটা জিডিও
করেন। এর কয়েক মাস যেতে না যেতেই মাহবুব
আলী তার বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা চেক ডিসঅনার
মামলা করে। মাহবুব আলীর সাথে ক্লাবে গিয়ে
চেক চুরির স্বীকার হন মাে.আব্দুর কুদুস
মজুমদার।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় জিডি করি। অথচ
ওই চুরি যাওয়া চেকগুলাে দিয়ে মাহবুব আলী
আমার বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার চেক ডিসঅনার
মামলা দায়ের করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD