1. admin@digonterbarta24.com : admin :
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাবেক চেয়ারম্যান কামালউদ্দীনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ অপর্যাপ্ত চিকিৎসক , উদাসীনতা এবং নানা সমস্যায় জর্জরিত হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করলেন সেনবাগ পৌর মেয়র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত দেওয়ানগঞ্জে পৌর সভার উদ্যোগে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ রাত জেগে বজ্য অপসারণ করালেন সেনবাগ পৌর মেয়র ভিপি দুলাল স্বপ্নের আলো ফাউন্ডেশন (এসএএফ)’র শীতবস্ত্র বিতরণ ঝালকাঠিতে মাদক মামলায় ১জনের ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড নিজাম উদ্দিন পুনরায় সিপিআই নির্বাচিত এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি ২০০৪ বাংলাদেশ গ্রুপের শীতবস্ত্র বিতরণ-ওয়ার্ম লাভ

‘সামান্তা ইসলাম’র উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৬৬ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃচট্টগ্রামের মেয়ে “সামান্তা ইসলাম”।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০২০ সাল থেকে চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে “সামান্তা ইসলাম“।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন চট্টগ্রামের সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।চট্টগ্রামের মেয়ে “সামান্তা ইসলাম” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তের বার্তা ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে বলুন?

আসসালামু আলাইকুম।আমি সামান্তা ইসলাম।আমি মাস্টার্স  ফাইনাল ইয়ারে পড়াশুনা করি,চট্টগ্রাম  কলেজ থেকে বোটানি ডিপার্টমেন্ট এর সাথে কিছুদিন পূর্বে,চট্টগ্রাম  ইন্টারনেশনাল কালিনারি ইন্সটিটিউট থেকে সেফ কোর্স লেভেল ১করেছি।

ব্যবসার শুরুর গল্পটা শুনতে চাই?

শুরু থেকেই ইচ্ছা ছিল কারো অধিনে চাকরি না করে নিজেই অন্যকে চাকরি দিবো। সেই চিন্তা থেকে আসলে ব্যবসায় করার ইচ্ছা। বর্তমানে যেহেতু অনলাইন বিজনেস এর সাড়া খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তাই চিন্তা করলাম শুরু টা অনলাইনেই করি।তাই পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা করা শুরু করলাম। গত বছর করোনা কালিন সময় এ লকডাউনে সব কিছু যখন  বন্ধ।এই সময় বিভিন্ন রান্নার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়।প্রতিদিনই প্রায় ইউটিউব  থেকে রান্না দেখে তা করার  চেস্টা  করতাম,এমন সময়  বেকিং  প্রতি অনেক আগ্রহ বাড়ে তখন প্রফেশনালি  ভাবে চট্টগ্রাম এর সেফ হাউস নামে প্রতিসঠানে বেসিক  বেকিং কোর্স করার সেখানে শিখি তারপর স্মার্ট পেস্ট্রি থেকে ফন্ডেন্ট এর কাজ শিখি তারপর সাহস করে বেকিং নিয়ে আমার অনলাইন  পেজ ওপেন করি ফেসবুকে।এরপর যুক্ত  হয় চট্টগ্রামের সবচেয়ে  বড় সেলার গ্রুপ ইজি ই কর্মাস প্লাটফর্মে। তখন থেকে আমার বিজনের এর শুরু।

কি কি  পণ্য নিয়ে কাজ করছেন ?
আমার মেইন প্রডাক্ট  হচ্ছে কেক এছাড়া এর পাশাপাশি বিরিয়ানি,পিজ্জ্যা,চাইনিজ ফুড রয়েছে।

কোন ধরনের চিন্তা ভাবনা থেকে এমন পণ্য নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা ছিল?

আমি কেক ও পিজ্জ্যা বানাতে খুব ভালোবাসি। যখনই ফ্রি থাকতাম তখনই পরিবারের সবাইকে কেক আর পিজ্জ্যা বানিয়ে খাওয়াতাম। সেই থেকে চিন্তা করলাম, আমি সবাইকে স্বাস্থ্যসম্মত কেক,পিজ্জ্যা,বিরিয়ানি,চাইনিজ ফুড খাওয়াবো। আজকাল দোকানের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের খাবার খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হচ্ছে। আমি সবাইকে  আমার ঘরোয়া পরিবেশের স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে এই বেকিং বিজনেসে এসেছি।

উদ্যোক্তা জীবনে সফল হতে কাদের ভূমিকা বেশি ছিল?

আমার জীবনে সর্বপ্রথম সার্পোট ছিল আমার এক সহপাঠীর তারপর অনলাইন কিছু গ্রুপ।এরপর আমার মা বাবা। সফল হতে তো আরো বহু পথ পাড়ি দিতে হবে। কিন্তু আমি আজ যতদুর আসতে পেরেছি তা শুধুমাত্র আমার মা বাবার অবদান। আশে পাশের অনেক মানুষ অনেক নেগেটিভ মন্তব্য করে।  তারপরও আমার মা বাবা মুখ বুঝে সবকিছু সহ্য করে আমাকে উদ্যোক্তা জীবনে সফল হতে কখনো বাধা দেয়নি। সবসময় তাদের সাপোর্ট এবং ভালোবাসা পেয়ে আমি আরো সামনে এগিয়ে যেতে অগ্রসর হই৷

আপনার উদ্যোগের সাফল্যের কথা জানতে চাই?
আলহামদুলিল্লাহ ধীরে ধীরে আমি সবার অনেক সাপোর্ট পাচ্ছি।সবাই অনেক সাহায্য  করছে আমাকে।সাফল্য আসলে একদিনে আসে না। বহু পথ বাড়ি দিতে হয় এই সাফল্য অর্জন করতে। তাও আমি এখন আমার সাফল্য এটাই মনে করি যে, আজ আমাকে কিংবা আমার প্রতিষ্ঠানকে যেই কয়জনে চিনে তা শুধুমাত্র আমার কর্মগুনে চিনে। আর এটাই আমার কাছে বড় সাফল্য। আমি আমার নিজের প্রতিষ্টানকে আরো অনেক মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চায়৷ যেদিন আমার প্রতিষ্ঠানকে পুরো বিশ্ব চিনবে, সেটাই হবে আমার কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য।

ব্যবসা নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?
আপাতত অনলাইন ভাবে পেইজটা চালানোর  ইচ্ছে যেহেতু কিছুদিন আগে শেফ কোর্স করেছি ইচ্ছে  আছে নিজেকে ভালো শেফ হিসেবে দেখার।এরপর একটা রেস্টুরেন্ট দেওয়ার চিন্তায় আছি।ব্যবসা নিয়ে আমার পরিকল্পনা হচ্ছে আমার এই অনলাইন বিজনেসটাকে একদিন অফলাইন বিজনেসেও গড়ে তুলবো। আর আমার প্রতিষ্ঠানের নাম পুরো বিশ্বের কাছে পরিচিত করে তুলবো।

বিগত ঈদে এবং লকডাউনে ব্যবসা কেমন ছিলো?
আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো ছিলো।লকডাউনের কারণে মানুষ অনলাইনের উপর আস্থা রেখেছে বেশি। তাই অন্যান্য ঈদের তুলনায় বিগত ঈদে সাড়া অনেক বেশি ছিলো।

উদ্যোক্তা জীবনের শুরু কতদিন ধরে এবং রেভিনিউ কেমন?

আমি গত ১ বছর যাবত অনলাইন বিজনেস করছি। পড়াশোনার পাশাপাশি যতটুকু সময় দিতে পেরেছি তা দিয়েছি৷ রেভিনিউ আলহামদুলিল্লাহ ভালো।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশে কিছু বলুন?
আপনি যখন ধীরে ধীরে সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবেন তখন হাজারো লোক আপনার কাজে বাধার সম্মুখীন হয়ে দাঁড়াবে। তারা কখনো চাইবে না আপনি এগিয়ে যান।সোস্যাল মিডিয়া এমন একটা জায়গা যেখানে সবার মন আপনি জয় করতে পারবেন না৷সবাই শূন্য থেকে শুরু করে। কেউ তাড়াতাড়ি সাফল্য অর্জন  করে, কেউ দেরিতে। জীবনে চলার পথে প্রতিটি পদক্ষেপে বাধা আসবেই৷ এতোকিছু যাচাই বাছাই করলে  কোনো কাজেই সাফল্য আসে না। সবকিছু উপেক্ষা করে আপনি আপনার কাজে এগিয়ে যান। দেখবেন সফলতা আপনার দরজায় ঠকঠক করছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD