1. admin@digonterbarta24.com : admin :
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে নৌকার মনোনয়ন পেলো রাজাকার পুত্র ও সাবেক বিএনপি নেতা গোলসাছড়ি জনবল বৌদ্ধ বিহারে ১ম বারের মত দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত বড়লেখায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৩টি প্রতিষ্টানকে জরিমানা কমলগঞ্জের সড়ক পাকা কনণের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্দন হাজরাবাড়ি পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা মনু মিয়া’র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন বাগেরহাটে রাস্তার পাশ থেকে নবজাতকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার পথশিশুদের স্বপ্নের ঠিকানা স্বপ্নপুরী বাগেরহাটে জনতা ব্যাংক এর আয়োজনে রোড শো অনুষ্ঠিত সংখ্যালঘু হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে যশোরে মানববন্ধনও প্রতিবাদ সমাবেশ

আজ বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩২ বার পঠিত

রাজনীতি ডেস্কঃ বিএনপির অবস্থা অনেকটা পথহারা পথিকের মতো। কোন পথে এগোবেন তা নিয়ে দিশেহারা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিদেশি ‘বন্ধুহীন’ বিএনপি শক্তিশালী কোনো রাষ্ট্রের সমর্থনও পাচ্ছে না। তাই কঠোর আন্দোলনেও সরকার পতন হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। এমন পরিস্থিতিতে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের পর নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নাকি আন্দোলনে না গিয়ে নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি- এমন আবর্তে এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে তাদের সিদ্ধান্ত। ফলে নেতাকর্মীরাও দলের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন।

প্রতিষ্ঠার পর কয়েক দফা সংকটে পড়লেও এবারই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে দলটি। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহণেও ব্যর্থ নীতিনির্ধারকরা। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারামুক্ত হলেও রাজনীতিতে একেবারেই নিষ্ক্রিয়। নিজ গৃহ থেকে বের হতে পারছেন না। দ- নিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে রয়েছেন। দুই শীর্ষনেতার ‘অনুপস্থিতি’তে নেতৃত্বসংকট দৃশ্যমান।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, অগোছালো বিএনপির সামনে কঠিন সময় আসছে। কারণ জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে পড়তে হবে তাদের। দলের অনেক নেতাকর্মীর মামলা বিচারাধীন, তাদের অনেকের সাজা হতে পারে বছরখানেকের মধ্যেই। তাই যদি হয়, তা হলে আন্দোলনের মাঠে দল নেতৃত্বসংকটে পড়বে। দুই বছরের বেশি সাজা হলে অনেক জ্যেষ্ঠ ও মধ্যম সারির নেতা নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত হবেন।

টানা তিন দফায় ১৪ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেক আগে থেকেই কোণঠাসা। করোনাকালে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রেখেছিল দল। তবে সারাদেশে হেল্প সেন্টার গঠন করে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। এখন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠনের মাধ্যমে দলকে আন্দোলন ও নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে হাইকমান্ডের দৃশ্যমান কিছু তৎপরতা থাকলেও আশার আলো দেখছেন না নেতাকর্মীরা। কারণ, কমিটি গঠনের মাধ্যমে যে নেতৃত্ব উঠে আসছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে।

ওয়ান-ইলেভেনের পর বেশ কয়েকবার সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছে বিএনপি। প্রতিবারই হোঁচট খেয়েছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানের পর বড় আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি দলটি। ওই নির্বাচনে অবিশ্বাস্য পরাজয়ের পর নেতাকর্মীদের হতাশা তৈরি হয়েছে।

এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসীদের আশা-আকাক্সক্ষার কেন্দ্র হিসেবে বিএনপি গঠন করেন। এরপর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম আর বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে দেশ শাসন ও বিভিন্ন চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বিএনপি। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দলটি দীর্ঘসময় ধরে পালন করে চলছে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা। দিনটি উপলক্ষে একদিনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিএনপি। সংবাদপত্রগুলোয় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যম কে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে এক লক্ষাধিক মামলা চলছে। ৩৫ লাখের বেশি মানুষ আসামি। গুম করা হয়েছে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী, খুন হয়েছেন হাজারের অধিক এবং অত্যাচার-নির্যাতনের শেষ নেই।

তিনি বলেন, ২০০৮ সাল থেকে দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নেই। ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা, গুম ও খুন করে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। এই সংকট বিএনপির একার নয়, গোটা রাষ্ট্রের। এ থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনের বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে আন্দোলন গড়ে তোলাই বিএনপির এখন মূল চ্যালেঞ্জ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিকে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। সামনের দিনে বিএনপিকে বিদেশি রাষ্ট্রের সমর্থন আদায় করতে হবে। কিন্তু দীর্ঘদিনের মিত্র চীনের সঙ্গে বিএনপির সেই সখ্যতা নেই। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। পাকিস্তানেরও প্রভাব কমেছে দেশের রাজনীতিতে। আর ভারত এখনো বিএনপিকে বিকল্প হিসেবে ভাবনায় আনেনি। এর সঙ্গে যুক্ত হবে নেতাকর্মীদের সাজার বিষয়। আগামী নির্বাচনের আগে অনেক নেতাকর্মীকে সাজা দেওয়া হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে আসছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। আর আন্দোলন সফল হওয়ার মতো সাংগঠনিক শক্তিও তেমন নেই। হতাশাগ্রস্ত নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার মতো কোনো কর্মসূচিও নেয়নি দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD