1. admin@digonterbarta24.com : admin :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রামগড়ে তথ্য অফিসের আয়োজনে “এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি ” অনুষ্ঠিত রত্নাংকুর বন বিহারে শুভ মধু পূর্ণিমা উদযাপন নগরীতে চোলাইমদ সহ গ্রেফতার ১ মেজর সিনহা হত্যা মামলার তৃতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করায় আকতারের ৭ বছরের কারাদণ্ড যে কোনো সময় খালেদার মুক্তি বাতিল করতে পারে সরকার ফেনীর সোনাগাজীতে আ’লীগের মেয়র প্রার্থীর সমর্থকসহ ১৪ জন আটক রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে এলোপাতাড়ি গুলি, ৫ জন নিহত জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী মানবাধিকার ফাউন্ডেশন থেকে প্রত্যয়ন পত্র তুলে দেন সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ডেমরা প্রেস ক্লাব

মিরপুরের সফল সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা “মারজারা শিকদার মেরী”

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৮৫ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ মিরপুরের মেয়ে “মারজারা শিকদার মেরী“।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০১৬ সাল থেকে চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে”মারজারা শিকদার মেরী“।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন মিরপুরের সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।মিরপুরের মেয়ে “মারজারা শিকদার মেরী” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তের বার্তা ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে বলুন?
আসসালামু আলাইকুম।  আমি মারজারা শিকদার মেরী।  মারজারা  ফ্যাশনের স্বত্তাধিকারী। বাবা মা এর বড় এবং একমাএ মেয়ে আমি। তাই আদর ও ভালোবাসার ঝুড়িটা আমারই বেশী। আমার ছোট দুইটা ভাই আর বাবা মাকে নিয়ে আমাদের ছোট্ট পরিবার। বাবা ব‍্যবসায়ী আর মা গৃহিণী। গ্রামের বাড়ি বিক্রমপুর, কিন্তু জন্ম ও বড় হওয়া ঢাকার মিরপুরে। মিরপুরের স্থাণীয় মেয়ে আমি।

ব্যবসার শুরুর গল্পটা শুনতে চাই?

ধানমন্ডির স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে আমি বি.বি.এ সম্পন্ন করেছি। সত্যি বলতে ব‍্যবসায় করব বা একজন নারী উদ‍্যোক্তা হবো এমনটা কখনও ভাবিনি। ছোটবেলা থেকেই  হাতের কাজ শেখার প্রতি আমার আগ্রহ বেশী ছিলো। পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন ট্রেনীং সেন্টারে আমি সফলতার সাথে (হস্তশিল্প, রন্ধণশিল্প, বিউটিফিকেশন, ফ‍্যাশন ডিজাইনিং)এর কোর্স সম্পন্ন করেছি। আমার খুব ভাল লাগত সবসময়ই নিজেকে ব‍্যস্ত রাখতে। হঠাৎ করেই মনে হলো আমি নিজের কিছু পন‍‍্য তৈরী করে  ব‍্যবসায় শুরু করি। তখন নিজের কিছু জমানো টাকা ছিলো, তাই দিয়েই শুরু করলাম জীবনের নতুন অধ‍্যায়।

কি কি পণ্য নিয়ে কাজ করছেন ?

ঢাকার মিরপুর ২ নং এ আমার একটি বুটিক শপ আছে। পাশাপাপাশি অনলাইন পেইজযে ও আমি পন‍্য বিক্রয় করি। নারীদের প্রয়োজনীও সবকিছুই আমার বুটিক হাউজে আছে। এর মধ‍্যে দেশীয়, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানীয় শাড়ী, থ্রিপিস, জুয়েলারি অণ‍্যতম।

কোন ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা আছে?

দেশীয় পন‍্য নিয়েই আমার কাজ করতে ভাল লাগে। আমি চাই আমাদের দেশের পন‍্য বাংলাদেশের বাইরেও পরিচয় হোক। বাংলাদেশের বাইরে (নেপাল, ভূটান, ইন্ডিয়া সহ বিভিন্ন দেশে আমি বিভিন্ন নারী উদ‍্যোক্তা মেলা তে  অংশগ্রহণ করেছি। তাই বর্তমান  ও ভব‍িষ‍‍্যতে আমি আমাদের দেশীয় পন‍্য নিয়ে কাজ করতে চাই। এর  পাশাপাশি অন্য দেশের পন‍্যও আমি রাখব ইনশাআল্লাহ।
আগে নিজের দেশ, পরে অন‍্যের বেশ।

উদ্যোক্তা জীবনে সফল হতে কাদের ভূমিকা বেশি ছিল?

একজন মানুষের বড় আশ্রয়স্স্থান হলো তার পরিবার। পরিবার যদি ভাল মন্দতে পাশে থাকে তবে যেকোন কঠিন কাজ সহজ হয়ে যায়। শুরু থেকেই আমি আমার পরিবারের সাপোর্ট পেয়েছি। আশা করি শেষ পর্যন্ত পাবো। ইনশাআল্লাহ।

আপনার উদ্যোগের সাফল্যের কথা জানতে চাই?

ব‍্যবসায় করে জিবীকা নির্বাহ করব এই যুক্তি নিয়ে ব‍্যবসায় শুরু করিনি। শুরুটা ছিলো শখ থেকেই। শখ থেকে নেশা আর নেশা থেকে কখন যে পেশা হয়ে গেছে বুঝতে পারিনি। সফলতার জায়গাটা সীমাহীন। এর শেষ নেই। চরম পর্যায় গিয়েও সফল হতে পেরেছি বলাটা দুঃকর। ব‍্যবসায় চলছে, চলবে। আপনারা পাশে থাকলে সাফল‍্য আসবেই ইনশাআল্লাহ।

ব্যবসা নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?
আমার এই ছোট্ট বুটিক শপ থেকে আমি আরও শপ করতে চাই। আমি চাই আমার শপে থাকা এক একটা নারী কর্মী হয়ে উঠোক আগামী দিনের নারী উদ‍্যোক্তা।

বিগত ঈদে এবং লকডাউনে ব্যবসা কেমন ছিলো?
আলহামদুলিল্লাহ্ ভাল হয়েছিল। লকডাউন এর জন‍্য শপ বন্ধ ছিলো। কিন্তু অনলাইন এ ভাল বিক্রয় হয়েছে।

উদ্যোক্তা জীবনের শুরু কতদিন ধরে এবং রেভিনিউ কেমন?
শুরুটা ২০১৬ তে। মাএ ১০ হাজার টাকা দিয়ে আমি আমার যাএা শুরু করি। ২০১৭ তে আমি আমার প্রথম বুটিক হাউজ দেই। এরপর ২০২১ এ আমি দ্বিতীয় শাখা করেছি। আমার শপের রেভিনিউ মাশাল্লাহ্ অনেক ভাল।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশে কিছু বলুন?
সর্বোপরি আমি একটা কথা বলব, স্বপ্ন দেখা যতটা সহজ পূরন করাটা ওতো সহজ না। আমাদের দেশের নারীরা এখন অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। তাই আপনাকে আমাকেও এগিয়ে যেতে হবে। চলার পথে অনেকেই  বাধাগ্রস্ত করবে। কিন্তু হতাশ হলে   চলবে না। লক্ষ‍্য এবং গন্তব‍্য ঠিক থাকলে সাফল‍্য আসবেই ইনশাআল্লাহ। এগিয়ে যাক নারী সমাজ, এগিয়ে যাক বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD