1. admin@digonterbarta24.com : admin :
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

‘রাবেয়া খাতুন বৃষ্টি’র উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৯০ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ সাভারের মেয়ে “রাবেয়া খাতুন বৃষ্টি“।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০২১ সাল থেকে চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে “রাবেয়া খাতুন বৃষ্টি“। হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন সাভারের সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।সাভারের মেয়ে “রাবেয়া খাতুন বৃষ্টি” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তের বার্তা ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
আসসালামু আলাইকুম,আমি রাবেয়া খাতুন বৃষ্টি।  সাভার উপজেলার ব্যাংক কলোনী বসবাস করি,আমি কাজ করছি অনলাইন এবং অফলাইন দুটাতেই।মহিলাদের সব ধরনের ড্রেস,বেবি ড্রেস, এবং পুরুষদের ড্রেস ইত্যাদি।আমার পেইজ Chad Fashion Bd ,আমার পেইজে ঘুরে আসার জন্য সকলকে অনুরোধ করছি এবং আমার পাশে  থাকার অনুরোধ করছি। আমার সাভার ব্যাংক কলোনী ছাপড়া মসজিদের পাশে একটি Chad Fashion Bd নামে শপ আছে।

উদ্যোক্তা আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো?
আমার সব সময় ইচ্ছা ছিল আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠব।ছোট বেলা থেকে সাজগোজ এবং পোষাকের ডিজাইন করার প্রতি আগ্রহ ছিল। আমার স্বামী  আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।ওনাদের অনেক উপদেশ আমি আমার নিজেকে তৈরি করার ক্ষেত্র হিসাবে কাজে লাগিয়েছি।সব সময় নিজে কিছু করার ইচ্ছে ছিল।চাকরির মাধ্যমে শুধুমাত্র নিজের কর্মসংস্থান করা যায়  কিন্তু একজন উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী নিজের সাথে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।এই চিন্তা ভাবনা থেকেই সবসময়ই একজন উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী হওয়ার ইচ্ছাটা মনের ভেতর ছিল।পরিবার এবং হাজবেন্টের সাপোর্টে সেই ইচ্ছে পূরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছি।

আপনি এই অনলাইন বিজনেসে কাকে আইডল হিসেবে দেখছেন?
সত্যি বলতে অনলাইন এবং অফলাইন বিজনেসে আমি কাউকেই আইডল হিসেবে হিসেব দেখছিনা কারন বিজনেস করার ইচ্ছেটা অনেক আগে থেকেই ছিল এবং সব সময়ই বিজনেস করার চিন্তাভাবনা করেছি। তবে কিছু অনলাইন সেলার আপুদের দেখে নিজের বিজনেস কে সামনে আগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

আপনি এই অনলাইন বিজনেসে কাকে আইডল হিসেবে দেখছেন?
সত্যি বলতে অনলাইন এবং অফলাইন বিজনেসে আমি কাউকেই আইডল হিসেবে হিসেব দেখছিনা কারন বিজনেস করার ইচ্ছেটা অনেক আগে থেকেই ছিল এবং সব সময়ই বিজনেস করার চিন্তাভাবনা করেছি। তবে কিছু অনলাইন সেলার আপুদের দেখে নিজের বিজনেস কে সামনে আগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

কতটুকু সফলতা লাভ করেছেন বলে মনে করেন?

আলহামদুলিল্লাহ। অবশ্যই নিজেকে একজন সফল নারী উদ্যেক্তা হিসেবে মনে করি।আসলে সফলতার তো কোন শেষ নেই আর আমি একজন নতুন উদ্যোক্তা অনেক কিছু করার পরিকল্পনা আছে যা এখন পর্যন্ত শুরু করতে পারিনি দেশের খারাপ পরিস্থিতির জন্য।তবে আলহামদুলিল্লাহ একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে অনেকটাই আগাতে পেরেছি কিছুটা পরিচিতি আর কিছু মানুষের বিশ্বস্ততা অর্জন করতে পেরেছি এদিক থেকে নিজেকে সফল ভাবছি আমি।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনার শেষ নেই তবে আমার প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চবিত্ত নিম্নবিত্ত সকলেই যেন স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে পারে সেই পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছি।বিভিন্ন সেবা মূলক সামাজিক কর্মকাণ্ডের  মাধ্যমে নারীদেরকে সফল ব্যাবসায়ী হতে উৎসাহ প্রদান করবো।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বলুন?
আমি ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স সম্পূর্ণ করেছি।

আপনার চ্যালেঞ্জ গুলো কিভাবে মোকাবেলা করছেন?

বর্তমানে কভিড১৯ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তবে অনলাইন এর মাধ্যমে এই সমস্যাটা অনেকটাই দূর করতে পেরেছি।

আপনার নতুন প্রোডাক্ট গুলো কি কি?
বর্তমানে করনা কালীন সময়ে আমাদের দেশে সব ব্যবসায়ীদের  অবস্থা খারাপ যাচ্ছে। আমাদের যত ক্লাইন্ট আছে তাদের আমি নিয়মিত খোজ খবর  রাখছি এবং সব ধরনের নতুন ড্রেস  রাখারই চেষ্টা করি এখন নতুন করে জুয়েলারি এবং কসমেটিক প্রডাক্ট যোগ করেছি।আল্লাহ যেনো আমাদের সবাইকে এই সিচুয়েশন থেকে তাড়াতাড়ি পরিত্রাণ দেন এবং সকলেই যেনো আমরা সুস্থ থাকি।

বর্তমানে কভিড১৯ এ ই-কমার্স?
কোভিড ১৯ সব ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কিন্তু তারপরও  চেষ্টা করছি যাতে ব্যবসাটাকে আরো দ্রুত সম্প্রসারণ করা যায়, যেহেতু এখন মহামারির জন্য সবাই বের হচ্ছে না এবং শপিং মল গুলো থেকেও বিরত থাকছে তাই  এই  সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন এর মাধ্যমে নিজের পন্য ক্রেতার কাছে তুলে ধড়ছি।কোভিড ১৯ যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কিন্তু তারপরও  সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চেষ্টা করছি যাতে ব্যবসাটাকে আরো দ্রুত সম্প্রসারণ করা যায় কিনা এবং যেহেতু উদ্যোক্তার একটা বড় গুন  হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতিতে কে কাজে লাগানো ঠিক আমিও সেটাই করছি যেহেতু এখন মহামারির জন্য সবাই বের হচ্ছে না এবং শপিং মল গুলো থেকেও বিরত থাকছে তাই  সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় নিত্য নতুন জামা আমার জামা কাপড় থেকে শুরু করে শাড়ি, কসমেটিক্স সবকিছু আমি আমার পেইজেই রাখছি । যাতে স্বাধ্যর মধ্যে একপেইজ থেকেই  নিতে পারে।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশ্যে কিছু বলুন?
নতুন উদ্যেক্তাদের বলবো,দুনিয়াতে কোন কিছুই অসম্ভব নয়।আল্লাহ চাইলে সব কিছু সম্ভব। মনের শক্তি এবং নারীকে কখনোই অসহায় ভাবা টা ভুল।ঘরে বসেই নারীরা অনেক কিছু করে যাচ্ছে যেকোন জিনিস করার আগে পরিবারের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন তাহলেই নিজে কে সফল উদ্যেক্তা হিসেবে ভবিষ্যতে দেখতে পারবেন।নিজের বিজনেস এ সৎ মনোভাব এবং  সাহস রাখতে হবে।এটাই আমার মা আমার স্বামীর উপদেশ আমার প্রতি। আর বাকি টা আল্লাহর ইচ্ছা।ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন সুন্দর থাকবেন,আল্লাহ হাফেজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD