1. admin@digonterbarta24.com : admin :
বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমানের ধাক্কায় ২ গরুর মৃত্যু নলছিটিতে বিজয় দিবসের প্রস্তুতী সভা অনুষ্ঠিত রাজাপুর বড়ইয়া ডিগ্রী কলেজ’র এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ঝালকাঠি সরকারি কলেজে নবাগত উপাধ্যক্ষের যোগদান শ্রীমঙ্গল থানা প্রশাসনের উদ্যোগে নৈশপ্রহরীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ বাগেরহাটে যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ইউ এন ও এর হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্য বিবাহ মিডিয়া অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু বিটিভি চট্টগ্রামের ধারাবাহিক ‘জলতরঙ্গ’ মীরসরাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে দুষ্কৃতীকারীদের গুলিতে জেএসএস’র শীর্ষ নেতা নিহত

সফল সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা “রোফায়জা আহমেদ তন্দ্রা”

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১
  • ২১৩ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ চাঁদপুরের মেয়ে “রোফায়জা আহমেদ তন্দ্রা“।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০১৯ সাল থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে “রোফায়জা আহমেদ তন্দ্রা“।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন চাঁদপুরের সন্তান সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।চাঁদপুরের সন্তান “রোফায়জা আহমেদ তন্দ্রা” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তেরবার্তা২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
আসসালামু আলাইকুম। আমার নাম রোফায়জা আাহমেদ তন্দ্রা। আমি এস এস সি দিয়েছি ২০০৪ সালে। আমার বাবা একজন হাইস্কুল শিক্ষক ছিলেন, বর্তমানে অবশর নিয়েছে। আমরা দুই বোন, আমার কোন ভাই নেই, গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর। ছোট বেলা থেকেই ঢাকা থাকি, পরাশুনা করি, অনার্স-মাস্টার্স কমপ্লিট করি ইডেন মহিলা কলেজ থেকে। সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে।আমার খুব ই ইচ্ছে ছিল সাইকোলজি থেকে একটা প্রফশনাল কোর্স করার, তার জন্য ঢাকা পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম কাউন্সিলর কোর্সে।

আপনার আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো?
আমার পরাশুনা শেষ করার আগেই বিয়ে হয়, প্রথম মা হই যখন আমি তখন অনার্স ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরিক্ষা দেই। এভাবে বেবি কে নিয়েই পরাশুনা টা শেষ করি, ওই যে বললাম পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয় কোর্স করার জন্য। সেটা আমার আর করা হয় নি,  পারিবারিক ঝামেলা থাকায়,  তো দেখা যায় আমার এই দিক থেকে একটা স্বপ্ন ভেঙে যায়। আমার খুব মন খারাপ ছিল কয়েকটা বছর।আর ওই টাইম টাতেও এত বেশি টাচ মোবাইল মানুষের হাতে থাকত না।তো কয়েক টা বছর পার হওয়ার পর আমি হাতে মোবাইল কিনি, ফেসবুক চালাই, তখন থেকে দুই একটা হাতে গোনা পেইজ এর লাইভ গুলো দেখতাম। ওদের থেকে কিনতাম ও।  পরে স্কিন কেয়ার রিলেটেড প্রডাক্ট গুলো অনলাইন থেকে কেনা কাটা করতাম।  হঠাৎ করেই একূিন মাথায় আসল আমি কিছু করব আমার এই স্বপ্ন টা কে আমি এভাবে মরতে দিতে পারি না। অনলাইন বিজনেস এর চিন্তা টা মাথায় আসল কিন্তু তখনও আমি জানতাম না আমি কিভাবে শুরু করব, আমি কি করব? কোথা থেকেই বা আমার বিজনেস পন্যগুলো সরবরাহ করব। উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ টা এখান থেকেই শুরু।

কতটুকু সফলতা লাভ করেছেন বলে মনে করেন?
সফলতা কতটুকু পেয়েছি জানি না,  এখনো এত বেশি সাকসেস হয়তো হয়ে উঠতে পারি নি। ও এর মধ্য আরও একটা কথা রয়ে গেছে এই বিজনেস যখন শুরু করি তখন আমার সন্তান ৩ জন,  ছোট দুইজন জমজ। তাই জতটুকু সময় দিলে আমি আরো একটু সফল হয়ত হতে পারতাম ততটুকু সময় আমি দিতে পারি নি। একা হাতে সকল দিক সামলে উঠে যতটা সময় দেওয়া দরকার ছিল ততটা দিতে পারি নি। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ আমি আমার সাফল্য অর্জনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সকলের ভালবাসাও পাচ্ছি। যতটুকু পেয়েছি সেটাই আমার সাফল্য।

আপনার চ্যালেঞ্জ গুলো কিভাবে মোকাবেলা করেছেন?
চ্যালেন্জ মোকাবেলা টা এখন এই সময়ে অনেক কঠিন কারন এখম ঘরে ঘরে উদ্যোক্তা। আার সব চাইতে বর চ্যালেণ্জ এই মাঠে টিকে থাকাটা। পরব না, আর হবে না এই কথা টা মনের কোথাও যদি আসে তখন ই হেরে যেতে হবে। তো, টিকে থাকতে হলে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে এখানে কাজ করতে হবে।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বলুন?
শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স -মাস্টার,  সাইকোলজি থেকে।ইডেন মহিলা কলেজ ঢাকা।এস,এস সি, এইচ এস সি- বিজ্ঞান বিভাগ থেকে।

আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
ভবিষ্যত নিয়ে আমি আসলে কখমো পরিকল্পনা করতে পারি না। তার কারন আমার আজ, আমার বর্তমান, আমি আজকে যা করব, ভবিষ্যতের ফলাফল সেটাই হবে। তাই ভবিষ্যতের চিন্তা না করে আজকের কাজটাকে প্রাধান্য দিতে বেশি পছন্দ করি।

আপনার প্রোডাক্ট গুলো কি কি?
আমি সাধারণত স্কিন কেয়ার নিয়ে কাজ করছি, আমাদের ম্যাক্সিমাম পন্য থাইল্যান্ড, কোরিয়া, চায়না থেকে আসে।

বর্তমানে কভিড১৯ এ ই-কমার্স?
কোভিড ১৯ যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কিন্তু তারপরও  সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চেষ্টা করছি যাতে ব্যবসাটাকে আরো দ্রুত সম্প্রসারণ করা যায় কিনা এবং যেহেতু উদ্যোক্তার একটা বড় গুন  হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতিতে কে কাজে লাগানো ঠিক আমিও সেটাই করছি যেহেতু এখন মহামারির জন্য সবাই বের হচ্ছে না এবং শপিং মল গুলো থেকেও বিরত থাকছে তাই  সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় নিত্য নতুন জামা আমার জামা কাপড়  আমার পেইজেই রাখছি । যাতে স্বাধ্যর মধ্যে একপেইজ থেকেই  নিতে পারে।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশ্যে কিছু বলুন?

একটা কথাই বলব, উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সামান্য একটা চাকরি পাওয়ার আাসায় বসে না থেকে আপনার সুপ্ত প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে আপনিও একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারেন। আপনি চাইলে ১০ জনের কর্ম সংস্থান করতে পারেন। অনলাইন বিজনেসের যে এতো বড় একটা প্লাটফর্ম আছে সেটা কে সঠিক ভাবে কাজে লাগানোর এখনই সময়। যারা নিজের জন্য কিছু করতে চান তারা শুধু মাঠে নামেন,  রাস্তা নিজ থেকেই তৈরি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD