1. admin@digonterbarta24.com : admin :
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে নৌকার মনোনয়ন পেলো রাজাকার পুত্র ও সাবেক বিএনপি নেতা গোলসাছড়ি জনবল বৌদ্ধ বিহারে ১ম বারের মত দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত বড়লেখায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৩টি প্রতিষ্টানকে জরিমানা কমলগঞ্জের সড়ক পাকা কনণের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্দন হাজরাবাড়ি পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা মনু মিয়া’র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন বাগেরহাটে রাস্তার পাশ থেকে নবজাতকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার পথশিশুদের স্বপ্নের ঠিকানা স্বপ্নপুরী বাগেরহাটে জনতা ব্যাংক এর আয়োজনে রোড শো অনুষ্ঠিত সংখ্যালঘু হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে যশোরে মানববন্ধনও প্রতিবাদ সমাবেশ

সফল সংগ্রামী তরুণ উদ্যোক্তা “আবু ওবায়দা সাইম”

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ৬৪৬ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ বরিশালের সন্তান “আবু ওবায়দা সাইম”।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০১৩ সাল থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে ” আবু ওবায়দা সাইম”।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন বরিশালের সন্তান সফল তরুন উদ্যোক্তা।বর্তমানে তিনি ঢাকায় থেকে চালিয়ে যাচ্ছে তার সমস্থ কার্যক্রম।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।বরিশালের সন্তান ” আবু ওবায়দা সাইম” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তেরবার্তা২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
আসসালামু আলাইকুম। আমি আবু ওবায়দা সাইম Daar-Kak  বিজনেস চেইনের CEO & Founder. আমি বিগত সাত বছর ধরে বাংলাদেশ ই-কমার্সে নিজের প্রতিষ্ঠানকে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। I always believe i am nothing but i always try to be something.

আপনার আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো?
আমার জীবনের একমাত্র অনুপ্রেরণা আমার ব্যর্থতা।কারণ একজন ব্যর্থ মানুষের পাশে তার ব্যর্থতা ছাড়া আর কেউই থাকে না।আমার স্কুল জীবন থেকেই আমি জানতাম, ভবিষ্যতে আমি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে দেখতে চাই। এইটা সত্য একজন মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় হয়, স্বপ্ন তো বড় দেখেই ফেলেছিলাম কিন্তু জানতাম না কিভাবে শুরু করব, কোন ফিল্ডে গেলে সুবিধা করতে পারব। যেহেতু আমার পরিবারের কেউ ব্যবসায়ী ছিল না তাই ব্যপারটি আমার জন্যে খুব কঠিন হয়ে পরে।তাই আমি চোখ কান খোলা রাখি, ঠিক সুযোগ আর সময়ের জন্যে অপেক্ষা করতে থাকি। আমি তখন 9th standard এ পরতাম, এক বড় ভাইয়ের কাছে শুনি e-commerce এ ভালো  অপরচুনিটি আছে সারা বিশ্বে।আমার মনে হলো এই সেক্টরেই কিছু করতে পারব।  এরপর আমি কাজে লেগে পরি, এক সপ্তাহর মধ্যে কিছু টিশার্ট যোগার করে ফেলি এবং প্রথমে আমার বন্ধুদের এবং পরিবারের কিছু লোক জনের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করি। এভাবেই শুরু হয় আমার ব্যবসার যাত্রা। এরপর নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে আজকে আমার এই e-commerce সাইট।

কতটুকু সফলতা লাভ করেছেন বলে মনে করেন?
সফলতা কতটুকু লাভ করেছি তা বলা  হয়তো বেশ কঠিন। তবে আজকের দাড়কাক প্রায় ২৫ টি রিসেলিং পেইজ  নিয়ে অনেকের মাঝেই সুপরিচিত একটি  অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।প্রায় ১ লাক্ষ গ্রাহকদের,আমরা আমাদের পণ্যের মাধ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছি এবং প্রতিনিয়ত আমাদের এই বিষাল পরিবারে নতুন সদস্যরা আমাদের সাথে যুক্ত হচ্ছ্র।শুধু মাত্র গ্রাহকদের কাছে আমাদের দায়বদ্ধ এবং আমাদের সৎ সেবা দেওয়ার মানসিকতার প্রতি শ্রদ্ধার কারণে।  এই ৬ বছরে অনেক চড়াই-উতরাই পারি দিয়েছি আমরা।শুরুটা যদিও একাই করেছিলাম  পথে সংগী হয়েছিলেন অনেকেই, ছেড়েও গিয়েছেন আমাদের।কিন্তু এখন নতুন ফাউন্ডার মেম্বারদের সাথে নিয়ে শুধুই এগিয়ে যাওয়ার গল্প। আমার সফলতার এই যাত্রায় আমার হাত ধরেছেন আরও তিন জন স্বপ্নবাজ তরুন৷যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর দূর্দশিতার কারণে আজকের এই সফলতা। তারা হলেন
Jobayed hassan rifat (co founder)
•SI Rajon (founder member)
Shaon: ( Adviser)
দাড়কাকের ফাউন্ডার মেম্বারদের সাথ্ব সাথে আমাদের গ্রাহক, যাদের আস্থার এবং সকল কলাকুশলী এবং রিসেলার যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং ভালোবাসার কারণে আজকে আমাদের পথ চলা এতটা সহজ হয়েছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আপনার চ্যালেঞ্জ গুলো কিভাবে মোকাবেলা করেছেন?
আমি কখনই চ্যালেঞ্জ কে চ্যালেঞ্জ না এক একটা অপুরচুনিটি হিসেবে দেখেছি।প্রাথমে কারণ খুজে বেড় করেছি, এরপর সমাধান খুজে বেড় করছি। সমাধান করতে নিজের যতটুকু দিতে হয়েছে দিয়েছি এবং চেষ্টা করেছি যাতে ভবিষ্যতে একই সমস্যার মুখোমুখি আর না হতে হয় ।এই চ্যালেঞ্জ গুলোই এখন আমার জীবনে এক একটি অভিজ্ঞতা।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বলুন?
আমি ছাত্র হিসেবে কখনোই আহামরি ভালো ছিলাম না।মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ  হতে ২০১৬ সালে  এস,এস,সি পাশ করি। এবং ২০১৮ সালে  শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচ,এস,সি পাশ করি।বর্তমানে আমি বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি এর TEXTILE Department এ বিএসসি এর শেষ বর্ষে অধ্যায়নরত আছি।

আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে কেবল মানুষের সেবা করা,ই-কমার্সে  তাদের সমস্যাগুলি সমাধান করা এবং আমার প্রতিষ্ঠান DAAR-KAK কে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা।

বর্তমানে কভিড১৯ এ ই-কমার্স?
কোভিড ১৯ যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কিন্তু তারপরও  সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চেষ্টা করছি যাতে ব্যবসাটাকে আরো দ্রুত সম্প্রসারণ করা যায় কিনা এবং যেহেতু উদ্যোক্তার একটা বড় গুন  হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতিতে কে কাজে লাগানো ঠিক আমিও সেটাই করছি যেহেতু এখন মহামারির জন্য সবাই বের হচ্ছে না এবং শপিং মল গুলো থেকেও বিরত থাকছে তাই  সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় নিত্য নতুন জামা আমার জামা কাপড়  আমার পেইজেই রাখছি । যাতে স্বাধ্যর মধ্যে একপেইজ থেকেই  নিতে পারে।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশ্যে কিছু বলুন?
নতুন উদ্যেক্তাদের বলবো,দুনিয়াতে কোন কিছুই অসম্ভব নয়।আল্লাহ চাইলে সব কিছু সম্ভব। মনের শক্তি এবং নারীকে কখনোই অসহায় ভাবা টা ভুল।ঘরে বসেই পুরুষেরা অনেক কিছু করে যাচ্ছে যেকোন জিনিস করার আগে পরিবারের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন তাহলেই নিজে কে সফল উদ্যেক্তা হিসেবে ভবিষ্যতে দেখতে পারবেন।নিজের বিজনেস এ সৎ মনোভাব এবং  সাহস রাখতে হবে।ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন সুন্দর থাকবেন,আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD