1. admin@digonterbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিরসরাইয়ে শিল্প নগর পরিদর্শনে সৌদি আরবের মন্ত্রীর সেনবাগে জিতেনি নৌকার কোন প্রার্থী চট্টগ্রামের সংবাদপত্র-শিল্পসাহিত্য ও সংস্কৃতির মহীরুহ বটবৃক্ষ এম এ মালেকঃ শুকলাল দাশ স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়নে ভূমি মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামে জেনারেল হাসপাতালে নন কোভিড ইউনিটে আইসিইউ বেড উদ্বোধন দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ ২ (দুই) কেজি গাঁজা উদ্ধার কেশবপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি ২২ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ঝালকাঠিতে ১০০ টাকায় ১৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরী আন্তঃবাহিনী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২১ শুরু বিএমপি কমিশনারের সাথে টেলিভিশন চিত্র সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

দিগন্তেরবার্তা২৪ এর একান্ত সাক্ষাৎকারে সফল নারী উদ্যোক্তা “মাইশা”

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ২৫৮ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ ঢাকার মেয়ে “মাইশা“।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০২০ সাল থেকে চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে ” মাইশা “।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন ঢাকার সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।ঢাকার মেয়ে ” মাইশা ” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তের বার্তা ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
আসসালামু আলাইকুম। আমার নাম মাইশা। আমার সম্পর্কে বলতে গেলে আমি একজন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। আমার পরিবারে মা, বাবা ও আমরা তিন ভাই বোন আছি। আমার বাবা পেশায় একজন ব্যাংকার ও মা গৃহিনী। আমি জন্ম থেকেই ঢাকার মোহাম্মদপুরে বড় হয়েছি।  আমি ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং এ বি বি এ পাশ করলাম। স্কুল ছিল মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুল ও কলেজ ছিল ঢাকা সিটি কলেজ।

উদ্যোক্তা আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো?
স্বল্প পুজিতে ব্যবসায়ের ইচ্ছা আমার কলেজ লাইফ থেকেই ছিল। কিন্তু সোর্স ও পুঁজির অভাবে তা হয়ে ওঠে নি। আমি এস এস সি পাশ করে ৭ বছর হোম টিউটর হিসেবে ছিলাম। ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে টিউশন ছেড়ে দিতে বাধ্য হই। ফলে টিউশনের জমানো টাকা দিয়ে ফেসবুকে “The Sterling Zone” নামে উদ্যোগ নেই। উদ্যোক্তা হওয়ার পর সবার পজিটিভ রেসপন্স ও উৎসাহের কারণে আমার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। এভাবে আমার ব্যবসায়ের মত স্বাধীন পেশার প্রতি আগ্রহ গড়ে ওঠে।

আপনি এই অনলাইন বিজনেসে কাকে আইডল হিসেবে দেখছেন?
আমি কাউকে তেমন কাছ থেকে অনলাইন বিজনেস করতে দেখি নি। তবে আমি বিউটি ব্রগার “শাহনাজ শিমুল” আপুকে আমার আইডল হিসেবে দেখি। আমার কাছে তিনি অলরাউন্ডার। আমার মনে হয় তিনি অনেক স্ট্রং পার্সোনালিটির অধিকারি।  ইউটিউব ভ্লগিং, ঘর সামলানো, বাইরের কাজের পাশাপাশি তিনি ইউ কে তে থেকে বাংলাদেশে তার বিজনেস পরিচালনা করেন। তাই তাঁকেই আমি আমার আইডল হিসেবে দেখি।

কতটুকু সফলতা লাভ করেছেন বলে মনে করেন?
এখন পর্যন্ত যতটুকুই এগিয়েছি ততটুকু আলহামদুলিল্লাহ।  তবে এখনো আরো অনেক পথ পাড়ি দেয়া বাকি। যখন “The Sterling Zone” কে সবাই এক নামে চিনবে ও বিশ্বাস করবে সেদিনই নিজেকে সফল বলতে পারব।

আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
অনলাইন ব্যবসার পাশাপাশি আমার আগোরা, স্বপ্নের মত আউটলেট দেয়ার ইচ্ছা আছে। সবকিছু ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে যাব ইন শা আল্লাহ।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা যদি বলতেন?
আমি মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুল থেকে জি পি এ- ৫.০০ পেয়ে এস এস সি এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে জি পি এ- ৫.০০ পেয়ে এইচ এস সি পাশ করেছি। সম্প্রতি ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং এ বি বি এ পাশ করলাম।

আপনার চ্যালেঞ্জ গুলো কিভাবে মোকাবেলা করেছেন?
ব্যবসায়ের শুরুর দিকে আমি একটি বিশ্বাসযোগ্য ডেলিভারি সার্ভিস পেতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। হোমমেইড জেলি ও টোমেটো সসের জন্য কাঁচের পাত্রের প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রেও কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি।

আপনার নতুন প্রোডাক্ট গুলো কি কি?
আমার নতুন প্রোডাক্টগুলো হল মিক্সড ড্রাই ফ্রুট, জাফরান, বাদাম, খেজুর, ঘি এবং ত্বীন ফল।

বর্তমানে কভিড১৯ এ ই-কমার্স?
কোভিড ১৯ আমার জন্য প্রতিবন্ধকতা নয়, বরং একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করেছে। উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো প্রতিটা সুযোগ এর সদ্ব্যবহার করা।করোনার জন্য মানুষ প্রথমদিকে পুরোপুরি বাইরে যাওয়া বন্ধ রাখে। এটা কিন্তু অনলাইন বিজনেস এর জন্য একটা বিশাল সুযোগ। এখন মানুষ কিছুটা হলেও বের হচ্ছে তবুও এই সুযোগে অনলাইন বিজনেস এর ভিত মজবুত করে মার্কেট দখল করা কিন্তু সুযোগই বটে।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশ্যে কিছু বলুন?
প্রথমত স্রোতাদের উদ্দেশ্যে বলব, কোনোকিছুর জন্য নিজেকে উৎসর্গ করলে সে জিনিসটি পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। কঠোর পরিশ্রমকেও তখন উপভোগ করা যায়। এর একমাত্র শর্ত হল সবসময় সৎ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, অনলাইন বিজনেসকে অনেকেই ঘরে বসে কোন কষ্ট ছাড়া আয় করা মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে একজন অনলাইন উদ্যোক্তার যাত্রা এত সহজ নয়। দিনে ২৪ ঘন্টাই ব্যাবসায়ে সময় দিয়ে সবকিছু একজন অফলাইন ব্যাবসায়ীর মতই ম্যানেজ করতে হয় আমাদের। তাই অনলাইন ব্যাবসাকে কেউ ছোট করে দেখবেন না। সবশেষে বলতে চাই, আমার এবং আমার উদ্যোগের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD