1. admin@digonterbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিরসরাইয়ে শিল্প নগর পরিদর্শনে সৌদি আরবের মন্ত্রীর সেনবাগে জিতেনি নৌকার কোন প্রার্থী চট্টগ্রামের সংবাদপত্র-শিল্পসাহিত্য ও সংস্কৃতির মহীরুহ বটবৃক্ষ এম এ মালেকঃ শুকলাল দাশ স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়নে ভূমি মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামে জেনারেল হাসপাতালে নন কোভিড ইউনিটে আইসিইউ বেড উদ্বোধন দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ ২ (দুই) কেজি গাঁজা উদ্ধার কেশবপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি ২২ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ঝালকাঠিতে ১০০ টাকায় ১৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরী আন্তঃবাহিনী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২১ শুরু বিএমপি কমিশনারের সাথে টেলিভিশন চিত্র সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নবীগঞ্জে প্রতিবন্ধী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি চেয়াম্যানের বিরুদ্ধে

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১
  • ৬৩ বার পঠিত

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়; এক বছর সুবিধাভোগীদের ভাতার কার্ড গোপন করে সেই টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ছাইম উদ্দিন।

অভিযোগে দোলনা বেগম জানান, করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে গত এক বছর ধরে ভাতার কার্ড নিজের কাছে রেখে গোপনে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছেন তিনি। আমি ভাতার কার্ড চাইলে চেয়ারম্যান সাহেব খুঁজে পাচ্ছি না বলে বারবার ফিরিয়ে দিয়েছেন কিছুদিন আগে আমার কাছে ভাতা কার্ড দেন তারপর আমি ২২৫০ টাকা উত্তোলন করি। আমার আশেপাশে মানুষকে ভাতা কার্ড দেখালে দেখা যায় ১৭৪০০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে তাই আমি নিরুপায় হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করি ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন জানান, বর্তমানে করোনাভাইরাস মোকাবিলা এবং মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এরপরও বিষয়টি তদন্ত জন্য সমাজসেবা অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান ছাইম উদ্দিন বলেন, এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। ভাতর কার্ড বিতরণের দায়িত্বে সমাজসেবা অফিসার এবং অর্থ দিয়ে থাকে ব্যাংক এতে আমার কোন হাত নেই। ইউনিয়ন পরিষদে আমি প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড দেখতে পাই তারপর দোলনা বেগমের কাছে দেই ভাতা কার্ডটি ।

এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সুয়েব চৌধুরী সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু জানিনা আমার পূর্বের অফিসার বারিন্দ চন্দ্র রায় ছিলেন তিনি এই বিষয়ে সাথে জড়িত। আমি শুনছি এই বিষয় আফস করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD