1. admin@digonterbarta24.com : admin :
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিরাপদ সড়ক উপহার দেয়া আমাদের সকলের দায়িত্বঃ উপ-পরিচালক জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের লিফলেট বিতরণ খামারপাড়া বিশ্বলতা জনকল্যাণ বৌদ্ধ বিহারে ৩২তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল নলছিটিতে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত ফ্রেন্ডশিপ’র উদ্যোগে প্যারাভেট প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ রাঙ্গামাটিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ভুলতা জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির নানা কর্মসূচি পালিত শ্রীমঙ্গলে নিরাপদ সড়কের দাবিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী শ্রীমঙ্গলে রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রমে মৌন প্রতিবাদ

পাবনার সফল সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা”সুবর্ণা আক্তার”

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ২০৭ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ পাবনার মেয়ে “সুবর্ণা আক্তার”।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০২০ সাল থেকে চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে ” সুবর্ণা আক্তার”।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন পাবনার সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।পাবনার মেয়ে ” সুবর্ণা আক্তার ” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তের বার্তা ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
আসসালমুআলাইকুম।আমি মোছা: সুবর্ণা আক্তার।আমি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানার মেয়ে।আমি ফিজিক্স এ অনার্স করছি।তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

উদ্যোক্তা আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো?
ছোট্ট এই জীবনে অনেক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছি।তিক্ত অভিজ্ঞতা সব।বাস্তবতার কাছে বার বার হেরে গিয়েছি।এক সময় হতাশার চরমে পৌঁছে জীবন থেকে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।কিন্তু আমার পরিবার আমাকে সর্বোচ্চ সাপোর্ট করেছে।আমাকে সব সময় বুঝিয়েছে জীবন মানে লড়াই করে বেচেঁ থাকা।কেউ চাইলেই তোমাকে হারিয়ে দিতে পারে না।তুমি তোমার চেষ্টা দিয়ে,পরিশ্রম দিয়ে জিতে দেখিয়ে দাও তাদের তারা তোমাকে হারাতে পারেনি।২০১৯-২০২০ সাল টা ছিল আমার জীবনের সব চেয়ে খারাপ সময়।ওই সময় টা তে আমি প্রচন্ড ডিপ্রেশন এ চলে গিয়েছিলাম।সবার থেকে নিজেকে আলাদা করে নিয়েছিলাম।তবে পরিবার কে পাশে পেয়েছিলাম।তাদের সাপোর্ট এই ভাবতাম কিছু একটা করতে হবে।জীবনে প্রতিষ্ঠিত হইতে হবে।কিন্তু কি করবো ঠিক ছিল না।এরই মধ্যে হটাৎ একটা ফ্রেন্ড এর মাধ্যমে উই তে জয়েন করি।এবং উই তে জয়েন করার পর অনেক আপু কে দেখেছি,তাদের লড়াই,তাদের প্রচেষ্টা ,তাদের পরিশ্রম এবং সফলতা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।সেইখান থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ পাই।

আপনি এই অনলাইন বিজনেসে কাকে আইডল হিসেবে দেখছেন?
এই অনলাইন বিজনেস এ আইডল বলতে আমি নিশা আপু কে  দেখি।যে মানুষ প্রিয়জন কে হারিয়ে ও একটু ও ভেঙে না পরে হাজার হাজার মেয়ে কে উদ্যোক্তা তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করছে।যিনি দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মেয়ে উদ্যোক্তা দের উন্নতির জন্য।আপু কে দেখলে সত্যিই অনেক অনুপ্রেরণা পাই আমি।তাই আপুই আমার আইডল।

কতটুকু সফলতা লাভ করেছেন বলে মনে করেন?
সফলতা অনেক খানি ই হয়েছে বলে আমি মনে করি।যদিও আমি লাখপতি হইতে পারিনি সেইটা আমার ব্যার্থতা।কারণ আমার পারিপার্শ্বিক সমস্যা,অসুস্থতা নানা কারণে আমি পিছিয়ে থাকি।তবুও বলবো আমার অনেক উন্নতি হয়েছে।আমি কিছু একটা করি,একজন উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করছি,আমার হতাশা গুলো কে কাটিয়ে উঠতে পেরেছি।এইগুলোই আমার সব চেয়ে বড় সফলতা।তবে আলহামদুলিল্লাহ আমি ২০২০ এর নভেম্বর থেকে কাজ শুরু করেছি।অনলাইন এ সেইভাবে সময় দিতে না পারলেও আলহামদুলিল্লাহ আমার সেল আপডেট ৪৫,৭০০/=।এছাড়া অফলাইন এ আমার সেল ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া।আমার পণ্য শুধু দেশে না দেশের বাইরেও পৌঁছে দিতে চাই।আর আমার মত হতাশা গ্রস্থ আরো ১০ জন মেয়ে কে নিয়ে কাজ করতে চাই।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বলুন?
আমি অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।সাবজেক্ট: ফিজিক্স

আপনার চ্যালেঞ্জ গুলো কিভাবে মোকাবেলা করেছেন?
আমার চ্যালেঞ্জ গুলো আমি ধৈর্য্য ও পরিশ্রমের সাথে মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি।অনলাইন বিজনেস মানে প্রচুর ধৈর্য্যের দরকার।যেটা ছাড়া এখানে টিকে থাকা যাবে না।আর পরিশ্রম ছাড়া তো সফলতা সম্ভব ই না।আমি মনে করি প্রবল ধৈর্য্য শক্তি আর কঠোর পরিশ্রম ই পারে যে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে।

আপনার নতুন প্রোডাক্ট গুলো কি কি?
আমার প্রোডাক্ট এর মধ্যে আছে শাড়ী,থ্রী পিছ,বেড শিট।কাস্টোমাইজ পণ্য এপ্লিক বেড শিট।নতুন পণ্য পাঞ্জাবি।সামনে লিচু ও আম নিয়ে আসছি।

বর্তমানে কভিড১৯ এ ই-কমার্স?
বর্তমানে কভিড ১৯ এর সময়ে ই – কমার্স এর অবদান অনেক।বিশেষ করে লকডাউন  এর সময় গুলোতে যখন মানুষ বাহিরে বের হইতে পারছে না তখন ই – কমার্স ই ভূমিকা রাখছে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে।মানুষ ঘরে বসেই সব কিছু পেয়ে যাচ্ছে।ই – কমার্স এই পরিস্থিতি তে ও দেশের অর্থনীতিতে ভালো ভূমিকা রাখছে।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশ্যে কিছু বলুন?

শ্রোতা দের উদ্দেশ্যে বলবো বর্তমানে কভিড  পরিস্থিতি তে আপনারা ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন।আপনাদের কেনা কাটা অনলাইনে করুন।বর্তমানে অনলাইন কেনা কাটা অনেক বিশ্বাস যোগ্য হয়ে গেছে।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা নিয়ে আমি পৌছাইতে চাই সফলতার শীর্ষে।ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD