1. admin@digonterbarta24.com : admin :
বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ১০:১৯ অপরাহ্ন

নারায়নগঞ্জের সফল সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা ” বৃষ্টি হাসান”

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ১৫০ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ নারায়নগঞ্জের মেয়ে “বৃষ্টি হাসান”।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০২০ সাল থেকে চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে ” বৃষ্টি হাসান”।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন নারায়নগঞ্জের সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।নারায়নগঞ্জের মেয়ে ” বৃষ্টি হাসান ” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তের বার্তা ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
সবার প্রথমে আমি একজন মা,কারো মেয়ে কারো বউ কারো বা বাড়ির ছেলের বউ।তবে এটা কিন্তু আমার পরিচয় নয়।আমার পরিচয় তখনই হবে যখন সবাই আমাকে আমার নামে চিনবে জানবে,তাই তো আমার পরিচয় গড়ে তোলার যত চেষ্টা।আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে ২বছরের,তার পাশাপাশি আমি একজন ছোট খাট উদ্যোক্তা।

উদ্যোক্তা আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো?
অনলাইন ছিলাম অনেক আগেই থেকে, কিন্তু  অনলাইনে যে কাজ করে টাকা আয় করা যায় তা উই তে না আসলে জানতামই না,উই আমাকে নতুন করে সপ্ন দেখাতে শুরু করেছে।উই তে আসার পর থেকে আমার ভাবনা ছিলো আমি ও কিছু করবো,যেটাতে নিজের একটা নাম হবে,নিজের পরিচয় হবে,আমাকে দশজন জানবে চিনবে এমন টাই আমার চাওয়া,আর সেই থেকেই পথ চলা শুরু।

আপনি এই অনলাইন বিজনেসে কাকে আইডল হিসেবে দেখছেন?
আমার আইডল বলতে তেমন কেউ না,তবে সবার এমন কাজ করে এগিয়ে যাওয়া টা আমার মনে অনেক আগ্রহ তৈরি করেছো।এখন সবাই কম বেশি উদ্যোক্তা তবে যারা দিন রাত কঠোর ভাবে কাজ করে নিজের একটা নাম তৈরি করার চেষ্টা করছে তারাই আমার আইডল,আমি তাদের কে অনুসরন করে নিজের পথ তৈরি করছি।

কতটুকু সফলতা লাভ করেছেন বলে মনে করেন?
উদ্যোক্তা জীবন শুর হয় গত জুন মাসের ৫ তারিখ ২০২০ সাল থেকে,সেই থেকে পথ চলা শুরু সময় টাকে কাজে লাগানো শুরু করো দিলাম।আমার উদ্যোক্তা জীবন মাত্র ১০ মাস,অল্প টাকা দিয়ে যে কিছু করা যায় সেটা অনলাইন না আসলে বুঝতাম না,এখন আশা করি আমার ব্যবসায়ের পুজি দিয়ে আমি আমার কাজ টাকে আরো বড় সর কোনো জায়গা নিয়ে ধার করাবো।তার জন্য  সবার নিকট দোয়া চাই।সফল  হওয়ার জন্য  তো সময় লাগে সেটা মনে হয় এখনো আসে নি তবে।

আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
আমি চাই আমার এই উদ্যোগের ফলে মানুষ উপকৃত হোক,ভেজালের ভীরে ভেষজ লতাপাতা দিয়ে তৈরি এই তেল সবার কাজে দিক,সবার উপকার হলেই আমার কাজ সার্থক।এখন মানুষ হাজার টাকা খরচ করতে পারে কিন্তু  চুলের জন্য কোনো ভালো জিনিস খুজে পায় না,তাই সল্প টাকায় ভালো জিনিস কে না পেতে চায়।তাছাড়া করোনা কারনে ঘরে বসে থাকায় মন সায় দিলে যে নিজের জন্য এতোদিন যা করেছি এখন না হয় দেশের মানুষের জন্য করি,তাদের উপকার করতে পারলে নিজেরই ভালো লাগবে।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বলুন?
আমার পড়াশোনার পাঠ টা শেষ হয় আরো বছর ৫ খানেক আগে।এইচএসসি ২০১৫ তারপর আর পড়া হয় নি।ইচ্ছে ছিলো আরো পড়াশোনা করার কিন্তু  বিয়ের পর সেই অনুমতি আর দেয় নি পরিবার থেকে।তাই তো সপ্ন আমার রয়ে গেছে এমনি এমনি।

আপনার চ্যালেঞ্জ গুলো কিভাবে মোকাবেলা করেছেন?
আমি নতুন তাই বলে সহজে কেউ ভরসা করতে পারে না এটাই স্বাভাবিক আমি হলে ও করতাম না,তবে যেভাবে ভরসা করতে পারে সেই প্রচেষ্টাই করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।আমি কাজ করছি ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরি কেশরাজ চুলের তেল।এটা নিজ হাতে বাসা বানানো হয়,তাছাড়া ভেষজ লতাপাতা ও নিজের বাসায় হতে আনা হয়,যার কারনে আমি নিশ্চিত বলতে পারি এটা একটা ভেজাল মুক্ত ভালো তেল।তবে অনেকে অনলাইনে কিনাকাটা করতে ভয় পায়।আর সেই ভয় টা কাটিয়ে কিভাবে ক্রেতার মন জয় করে নেওয়া যায় সেই চেষ্টা কোনো ত্রুটি রাখছি না।সবাই যাতে অনলাইন শব্দ টাকে ভয় না বিশ্বাস হিসাবে দেখে  সেই টাই চাই সবসময়।

আপনার নতুন প্রোডাক্ট গুলো কি কি?
নতুন পোডাক্ট বলতে এখন তেমন কোনো ভাবনা নেই,তবে সময়ের সাথে সাথে কাজে সারা পেলে তখন না হয় আরো নতুন কিছু  আনার চেষ্টা করবো।

বর্তমানে কভিড১৯ এ ই-কমার্স?
এখন সবাই এই সময়ে ঘরমুখো, যাদের কাজ ছিলো অনেকে কাজ হারিয়েছেন লকডাউন থাকার ফলে,তাই এই সময় টাকে কাজে লাগানোর জন্য  অনলাইন বিজনেস টা আমার মতো সবচেয়ে উপযোগী। এতে করে বাসায় বসে ও কাজ করা যায়।কারন সবাই এখন বাহিরে না যাওয়ার ফলে অনলাইন কেনাকাটা করতে পছন্দ করছে তাই এই সময় টাকে আমি ও কাজে লাগিয়ে নিলাম।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশ্যে কিছু বলুন?
তাদের উদ্যোশে বলতে চাই,যেটাই করুন না কেনো কাজে সততা, ধৈর্য, বিশ্বাস নিজের কাজের প্রতি আত্নবিশ্বাস থাকা টা অনেক দরকার।কারন আপনি কাজ শুরু করলে আপনাকে অনেকে অনেক কিছু বলবে সেটা এক কান দিয়ে ডুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে দিবেন।তারা সমলোচনা করবে এটা নিয়ে মাথা ঘামালে হবে না।কারন মনে রাখবেন সমলোচনা করার জন্য  যোগত্য লাগে আর সেটা আপনার মাঝে আছেই বলে তারা সমলোচনা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD