1. admin@digonterbarta24.com : admin :
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাবেক চেয়ারম্যান কামালউদ্দীনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ অপর্যাপ্ত চিকিৎসক , উদাসীনতা এবং নানা সমস্যায় জর্জরিত হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করলেন সেনবাগ পৌর মেয়র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত দেওয়ানগঞ্জে পৌর সভার উদ্যোগে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ রাত জেগে বজ্য অপসারণ করালেন সেনবাগ পৌর মেয়র ভিপি দুলাল স্বপ্নের আলো ফাউন্ডেশন (এসএএফ)’র শীতবস্ত্র বিতরণ ঝালকাঠিতে মাদক মামলায় ১জনের ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড নিজাম উদ্দিন পুনরায় সিপিআই নির্বাচিত এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি ২০০৪ বাংলাদেশ গ্রুপের শীতবস্ত্র বিতরণ-ওয়ার্ম লাভ

মুন্সিগঞ্জের সফল সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা ” আসমা হোসাইন”

দিগন্তের বার্তা ২৪ ডেস্ক
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ২২২ বার পঠিত

দিগন্তেরবার্তা২৪,ডেস্কঃ মুন্সিগঞ্জের মেয়ে “আসমা হোসাইন”।যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা, সফল ব্যবসায়ী। তিনি ২০২০ সাল থেকে চালিয়ে যান জীবন সংগ্রামের একটি অংশ অনলাইন ব্যবসা।তবে থেমে থাকেননি তিনি। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি উপেক্ষা করে আজ সাফল্যর দ্বারপ্রান্তে ” আসমা হোসাইন”।হাটি হাটি পা পা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তিনি হয়ে উঠেন মুন্সিগঞ্জের সফল নারী উদ্যোক্তা।

”উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে টেকজুমের এবারের আয়োজন।মুন্সিগঞ্জের মেয়ে ” আসমা হোসাইন ” এর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন দিগন্তের বার্তা ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

আপনার সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?
আসসালামু আলাইকুম,আমি আসমা হোসাইন।অনলাইনে সবাই আমাকে নিলীমা নামেই চিনে।আমি খুব সাধারণ একটি মেয়ে। সাধারণ ভাবেই চলতে পছন্দ করি।  আমি যা বলি তা সবার সামনেই বলি। কারও পিছনে কিছু বলি না। যেটা করি না সেটার দোষ নিতে রাজি না।  এটার জন্য বিপদে পরতে হয় অনেক বার। সবার সাথে খুব সহজেই মিশতে পারি। আমি সব সময় হাসি খুশি থাকি।

উদ্যোক্তা আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো?
আমি যখন প্রথম অনলাইনে কাজের বিজ্ঞপ্তি দেখি তখন আমার আগ্রহ হলো যে আমিও দেখি এটা কেমন কাজ, আর ঘরে বসে ইনকাম করে যদি নিজের খরচটা অন্তত চালাতে পারি তাও মন্দ না। তারপর আস্তে আস্তে ১ বছর আমি কাজ করলাম অন্য একজনের পেইজে। তারপর  ভাবলাম যে ওই আপু টা যদি নিজে উদ্যোক্তা হয়ে সব কিছু সামাল দিতে পারে তাহলে আমি কেন পারবোনা, আমাকেও সাবলম্বি হতে হবে,  তাই আমিও নিজের চেষ্টা চালিয়ে গেলাম আর আলহামদুলিল্লাহ আমার বাবা, মা সবার দো’আয় এখন অনেকটা এগিয়ে গেলাম।

আপনি এই অনলাইন বিজনেসে কাকে আইডল হিসেবে দেখছেন?

অনলাইনেব আমার প্রথম আইডল হলো আমার হাজবেন্ড।ওনি যদি আমাকে সাপোর্ট না করতো তাহলে আমার এগিয়ে যাওয়াটা কষ্টকর হতো।সে সময় একজন নারীর জন্য ব্যবসায় খুব একটা সহজ ছিলো না।ওনার জন্যই সব কাজ আমি সহজে করতে পেরেছি।তাছাড়া আমার বেষ্ট ফ্রেন্ডস (রাফি)ও আমাকে অনেক সাহস দিয়েছে।আমি যাতে কাজে সফলতা আনতে পারি এটা ওর ও চাওয়া ছিল।আমার ছোট ভাই (তাহমিদুল)ও আমাকে খুব হেল্প করেছে।ও ওর দিক দিয়ে সব চেষ্টা করেছে।পরবর্তীতে অনলাইনের অনেক আপুদের দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছি।আমার কাছে মনে হয়েছে আমি চেষ্টা করলে ইনশাআল্লাহ পারবো।

কতটুকু সফলতা লাভ করেছেন বলে মনে করেন?
নিজেকে এখনো “সফল”বলবো সেই পর্যায়ে এখনো যাইনি।একদিন ইনশাআল্লাহ সব বাঁধা অতিক্রম করে নিজের পরিচয় অনেক বড় পরিসরে তুলে ধরতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি। তবে কাস্টমারদের ভালোবাসা ও ফিডব্যাক যতটুকু পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর রহমতে অল্প কিছু দিনেই অনেক ভালবাসা পেয়েছি। অনেকের কাছেই বিশ্বস্ত হতে পেরেছি। এখন অনেকেই আমার থেকে পণ্য কিনেন। আর আমার সফলতার পেছনে আমার আম্মুর অবদান অনেক।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
“ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ”  ভবিষ্যৎতে আরও বড় উদ্যোক্তা হতে চাই তখন মানুষের চাওয়া পাওয়া যেন মেটাতে পারি এই ইচ্ছাটাই আছে আমার।যেমন মানুষ যেরকম পণ্য যায় বা তাদেরকে সব সময় যেন ভালো এবং উত্তম জিনিস যেন দিতে পারি।

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা যদি বলতেন?
আমি অনেক সমস্যার মধ্যে থেকেও ইন্টার শেষ করে অনার্স এ ভর্তি হয়েছিলাম কিন্তু পড়াশোনাটা পারসোনাল কিছু সমস্যার জন্য করতে পারিনি।

আপনার চ্যালেঞ্জগুলো কিভাবে মোকাবেলা করেছেন?
একমাত্র মনে সাহস আর মা বাবার দো’আ আমার মাথায় আছে বলেই সব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারি। আর আল্লাহর উপর সব সময় ভরসা রাখি তাই বিপদে ভয় পাইনা।

আপনার নতুন প্রোডাক্টগুলো কি কি?
ইন্ডিয়ান ড্রেস, ঈদের জন্য কাপল সেট আর জামদানী, জুম & ঝর্ণা শাড়ির ফুল প্যাকেজ,জুয়েলারি। এবং ছেলেদের জন্য ও টি-শার্ট, পাঞ্জাবি, ঘড়ির বেবস্থাও রয়েছে।

বর্তমানে কভিড১৯ এ ই-কমার্স?
কভিড ১৯ মানুষের জীবনে অনেক প্রভাব ফেলেছে ই কমার্স এর প্রভাব আছে।আজ মানুষ ঘরে সবে সব কাজ করছে।।আজ আর দীর্ঘ লাইন ধরে বিল দিতে হয় না।নিজের নিরাপত্তা সাথে সাথে সময় অপচয় রোধ করতে সক্ষম।তবে এর মধে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও আছে যাদের জন্য সেক্টর প্রশ্ন বিদ্ধ হয়।করোনা একটি প্রাণঘাতী ও মরণব্যাধি ভাইরাস।বর্তমানে কোভিড১৯ কারণে ই-কমার্স সাড়া পাচ্ছে সারা দেশ ও সারা বিশ্ব।বাংলাদেশ কম সাড়া পাচ্ছে না কিন্তু ঠকছে তার চেয়ে বেশি।অনলাইনের মাধ্যমে কেনাকাটা করার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে।তবে ঘরে বসে অনলাইন এ কেনাকাটা করার আগ্রহ বেড়েছে মানুষের মদ্ধে।নিজেকে সেইভ রেখে  ঘরে বসে অনলাইন কেনাকাটাকে গ্রহন করছে মানুষ।কিন্তু প্রতারণা করছে কিছু চক্র,এদের থামানো গেলেই আরও বেশি সামনে এগিয়ে যেত ই-কমার্স।

পরিশেষে স্রোতাদের উদ্দ্যেশ্যে কিছু বলুন?
পরিশেষে বলতে চাই,পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই,আমি পরিশ্রম করেছি বলেই আমি আমার সফলতা পেয়েছি,অনেক বাঁধা পেরিয়ে আজ আমি সফল ব্যবসায়ি বলে আমি মনে করি,সকল স্রোতা ও পাঠকদের জন্য বলব,ই-কমার্স বিজনেস এখন অনেক বড় পরিসরে বাড়ছে,আপনারা আমার উপর পূর্ন বিশাস রেখে আমার পেজে একবার হলেও ঘুরে আশার আমন্ত্রণ রইল,আমি কথা দিচ্ছি আমি আমার শতভাগ দিয়ে আপনাদের কথা রাখব, আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন,আর এই ছোট্ট মানুষটার পাশে থাকবেন,কেননা আপনাদের সহযোগিতা আমাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দিগন্তের বার্তা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD